• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

অনলাইন জুয়ায় ৩ হাজার কোটি টাকা পাচার, গ্রেপ্তার ৯

সিসি নিউজ ডেস্ক।। অনলাইন ঠিকানা ব্যবহার করে জুয়ার মাধ্যমে এক মাসে তিন হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারকারী চক্রের ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি)। গ্রেপ্তারদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপে বিজনেস অ্যাকাউন্ট, বিকাশ, রকেট ও ব্যাংক হিসাব যাচাই করে এ সত্যতা পায় পুলিশ।

জিএমপির কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে অনলাইন জুয়া চক্রের অন্যতম হোতা নাসির মৃধা (৩০) রয়েছেন। তাঁর অন্য সহযোগীরা হলেন মারুফ হাসান (২৪), জাহিদুল ইসলাম (২২), আশিকুর রহমান (২৭), কাউসার হোসেন (২৩), রুবেল হোসেন (২৫), আশিকুল হক (২৫), আকরাম হোসেন (২৬) ও মুরাদ হোসেন (২৫)। তাঁদের বাড়ি গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায়।

জিএমপির কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, চক্রটি বাংলাদেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গুগল ক্রোমের ব্রাউজার ব্যবহার করে যুবকদের আসক্ত করে। এর মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে নেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। তারা মালয়েশিয়া ও দুবাইয়ের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে বিজনেস অ্যাকাউন্ট খুলে নিজেদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে যোগাযোগ করে। মূলত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুবাই প্রবাসী আকাশ মালিক রনি এসব জুয়ার সার্ভার নিয়ন্ত্রণ করেন।

কমিশনার আরও জানান, চক্রটি বিশ্বকাপ ফুটবল, ফুটবল লিগ, ক্রিকেট, ফ্রাঞ্চাইজিসহ বিভিন্ন খেলার মাধ্যমে অনলাইনে জুয়ার আয়োজন করে। বাংলাদেশে এ রকম ১ হাজার ৫০০ মাস্টার এজেন্ট রয়েছে। এসব এজেন্টের মাধ্যমে সারা দেশে ২ লাখের বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। ডিজিটাল কয়েন কেনার ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করে থাকে তাঁরা।

ডিজিটাল কয়েনগুলো পর্যায়ক্রমে জুয়া পরিচালনা করে কাছে জমা হয়। এসব কারণে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সিআইডি বিষয়টি নিয়ে মানি লন্ডারিং শুরু করেছে।

কমিশনারের দেওয়া তথ্য মতে, নাসির ওই ওয়েবসাইটের এজেন্ট ব্যাংকের ১৪৮টি অ্যাকাউন্টে গত নভেম্বর মাসে ২ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে এ খেলার মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকার অধিক লেনদেন হয়েছে। এতে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হচ্ছে।

যারা দেশের বাইরে থেকে এই খেলাটি পরিচালনা করছেন তারা বাংলাদেশের অধিবাসী। পুলিশ তাঁদের শনাক্ত সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় গাজীপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উৎপল বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ