• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে লাভলী বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের ডাঙাপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আজ বুধবার দুপুরে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাভলী বেগম ওই ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য রেজেকা বেগমের দেবর সবুজ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী।
এদিকে লাভলী বেগমের মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। স্বামীর পরিবারের দাবী আত্মহত্যা করেছে আর গৃহবধূর পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী সবুজ আলী পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত লাভলী বেগম সৈয়দপুরের পার্শবর্তী নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের দুরাকুুটি ঘোপপাড়ার মোবার হোসেনের মেয়ে। সৈয়দপুরের খাতামধুপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমিন নামে এক ব্যক্তির সাথে। সেখানে প্রায় ২০ বছরের সংসারে ২টি মেয়ে সন্তান হয়। চার বছর আগে পাশের ডাঙাপাড়ার এলাকার মৃত কালা মামুদের ছেলে দুই সন্তানের জনক সবুজ আলীর সাথে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে দুইজন পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে।
লাভলীর ভাই আব্দুল জলিল বলেন, সবুজ একজন বখাটে। নিজের স্ত্রী থাকতেও লম্পটের মত অপকৌশলে আমার বোনের সুন্দর সংসার ভেঙ্গে তাকে বেকায়দায় ফেলে তার সাথে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। আগের মেয়ে দুইটাকে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত করেছে। এখন আবার বাড়িতে নিয়ে এসে বড় বউকে দিয়ে উত্যক্ত করাসহ বেদম অত্যাচার শুরু করে। সবুজের পরিবারের সবাই নির্যাতন করে মেরে ফেলে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।
মৃতার বড় জা রেজেকা বেগম বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ছিল সত্য। সতিনের সংসারে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে তা টুকটাক কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কখনই তা বেধড়ক মারপিটের পর্যায়ে ছিল না। তাঁর দাবি লাভলী আত্মহত্যা করেছে।
সৈয়দপুর থানার ওসি (তদন্ত) মফিজুল হক বলেন, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। এতে শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে এখনও কোন লিখিত অভিযোগ কেউ দেয়নি। অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে নিহতের স্বামী সবুজ আলীকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ