• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আবু সাঈদের নামে মসজিদ তৈরির অনুরোধ মায়ের

সিসি নিউজ ডেস্ক।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বাড়ি ফিরেছে গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের পরিবার। আজ সোমবার তারা রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান। আগের দিন গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা।

বাড়ি ফিরে আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করি এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য আলাদা করে দুই মিনিট সময় পাই। তিনি আমাদের ১০ লাখ টাকার একটি সঞ্চয়পত্র এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এ ছাড়া সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

আবু হোসেন আরও বলেন, আমার মা মনোয়ারা বেগম প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, ‘ছেলে তো আর ফিরে আসবে না, ওর স্মৃতি রক্ষায় একটি মসজিদ করে দিলে ভালো হয়। সেখানে সবাই নামাজ পড়বে আর ছেলেটার জন্য দোয়া করবে।’ এতে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি দিয়ে বলেছেন, সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন আবু সাঈদ। তিনি বাবনপুরের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে। গত ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে তাঁকে গুলি করে পুলিশ। আবু সাঈদ হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনি লুটিয়ে পড়েন।

আবু সাঈদের পরিবার জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের সাড়ে ৭ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আসা অর্থ মিলে প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো সাহায্য পেয়েছেন তারা। উৎস: সমকাল


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ