• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা

সিসি নিউজ।। বাংলাদেশ আর্মি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে  গুলিতে নিহত নীলফামারীর সৈয়দপুরের সাজ্জাদ হোসেনের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অফিস কক্ষে নিহত সাজ্জাদ হোসেনের বাবা মো. আলমগীরের হাতে নগদ ওই অর্থ হস্তান্তর করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার এবিএম হুমায়ুন কবীর তাঁর হাতে ওই অর্থ তুলে দেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লে.কর্নেল মো. নাঈম (অবঃ), ফিন্যান্স ডিরেক্টর একেএম সিরাজুল ইসলাম, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ (বিবিএ ইন এআইএস) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা মো. রাকিবুল ইসলাম, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার পশ্চিম পাটোয়ারীপাড়ার আলমগীর হোসেন ও সাহিদা বেগম দম্পতির ছেলে সাজ্জাদ হোসেন। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন ছিলেন সবার বড়। তাদের নিজেদের কোন বসতভিটা নেই। তাই অন্যের জমিতে বসবাস করতেন সাজ্জাদের পরিবার। সেখান থেকে উচ্ছেদ হয়ে পারি জমান রাজধানী ঢাকার সাভারে। থাকতেন সাভার ডেইরী ফার্ম এলাকার দক্ষিণ কালমা এলাকায়। সাজ্জাদের বাবা সেখানকার একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। আর সাজ্জাদ ঢাকার সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিল। লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিবারকে সহযোগিতায় কাজ করতেন একটি পোশাক কারখানায়। প্রায় সাত মাস আগে বিয়ে করেন সাজ্জাদ হেসেন। তাঁর স্ত্রী সুমি আক্তার।
গত ৫ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশের গুলিতে আহত হন সাজ্জাদ। তাৎক্ষণিক তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৬ আগস্ট বেলা ১২টার দিকে মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের সদস্যরা সাভার থেকে সাজ্জাদের লাশ উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর পাঠানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. বেলাল হোসেন নামের এক চাচার বাড়িতে নিয়ে এসে গোসল ও জানাজা করা হয়। পরে ৭ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে সৈয়দপুর শহরের হাতিখানা কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ