• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলসাগরে পাখির বাসা করে দিলেন জেলা প্রশাসক

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র টিকিয়ে রাখতে গাছে মাটির পাতিল বসিয়ে পাখির বাসা তৈরী করে দিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে শনিবার সকালে পাখির অভয়াশ্রম ও পর্যটন কেন্দ্র নীলসাগরের বিভিন্ন গাছে শতাধিক পাতিল স্থাপন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ফারুক আল মাসুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল হক প্রমুখ।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, নীলফামারীর একমাত্র পর্যটন কেন্দ্র নীলসাগর দিঘি। প্রতিদিন শত শত পর্যটক আসে এখানে। শীতের শুরুতে সুদুর সাইবেরিয়া থেকে আসা নানা প্রজাতির পাখি আনাগোনা হয়। এ কারণে জেলা প্রশাসন পাখির অভয়াশ্রম হিসাবে ঘোষণা করে।
জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাবে পাখির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। অবাধে বৃক্ষ নিধনের কারণে পাখিরা হারাচ্ছে তাদের আশ্রয়স্থল। ফলে পাখিদের স্বাভাবিক প্রজনন বিঘিœত হচ্ছে। ফসল উৎপাদনে বিষাক্ত কীটনাশকের ব্যাবহারের কারণে পাখিদের মৃত্যুর হারও বেড়েছে। এ কারণে প্রকৃতিতে এখন অনেক পাখির দেখা পাওয়া যায় না। শোনা যায় না পাখির কলরব’।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘জানুয়ারী মাস পাখির প্রজনন মৌসুম। তাই পাখির নিরাপদ প্রজননের জন্য নীলসাগরে পরীক্ষামুলক এক শত পাতিল স্থাপন করা হচ্ছে। এর সংখ্যা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। এ ছাড়া পরিযায়ী পাখিদের জন্য নীলসাগর দিঘিতে সেডের ব্যবস্থা এবং পাখির খাবার  দেওয়া হবে’।
পর্যটন কেন্দ্র নীলসাগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘এটি শুধু পাখিদের অভয়াশ্রম নয়, এটি মাছেরও অভয়াশ্রম। স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে এখানে সীমানা প্রাচীর, দর্শণার্থীদের জন্য ওয়াক ওয়ের কাজ করা হবে। দিঘির ধারের বিভিন্ন জায়গায় বেঞ্চ করে দেওয়া হবে। দর্শণার্থীরা যাতে করে ওই বেঞ্চে বসে পাখি ও মাছের অভয়াশ্রম উপভোগ করতে পারেন। এখানে শিশুদের বিনোদনের কিছু রাইডস আছে। জায়গা কম থাকার কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশে গাছ না কেটে বিনোদনের জন্য আর কি ধরণের রাইডস স্থাপনা করা যায় কি না তা ডিজাইনারকে বলেছি’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ