• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন |

নীলফামারীতে নির্বাচন কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি ভোগান্তিতে সেবাগ্রহিতারা

সিসি নিউজ।। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখার দাবিতে নীলফামারীতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুই ঘন্টাব্যাপী জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ওই কর্মসূচি পালিত হয়।
ওই কর্মসূচি চলাকালে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সেবাগ্রহিতারা ভোগান্তীতে পড়েন। এসময় কার্যালয়ের আইরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে এসব সেবা গ্রহিতাকে।
আন্দোলনকারীরা জানান, যেখানে ইলেকশন কমিশনের সংষ্কারসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সংষ্কারের দাবি উঠেছে, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ দিয়ে এনআইডি নিয়ে টানা হেচড়া নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে। যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান না করার বিষয়েও এমন ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তারা।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বিগত সরকারের সময়ে এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সুরক্ষা বিভাগে দেওয়ার আইন করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের সক্ষমতার অভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে এনআইডি ছিল। এখন স্বাধীন ডাটা কমিশন করে ওই কমিশনের অধীনে এনআইডি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ওই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আজকের আমাদের এ কর্মসূচি। দাবি পূরণ না হলে আগামী রোববার নতুন কর্মসূচি আসবে’।
তিনি আরো বলেন, ‘ভোটার তালিকা একজনের কাছে, আর এনআইডি আরেক জনের কাছে থাকবে এটা হতে পারে না। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে। কোনো একটি মহল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ ষড়যন্ত্র করছে’।
এ সময় সেখানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার আলী, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সামসুল আজম প্রমুখ।
এদিকে ওই কর্মসূচি চলাকালে কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান অপেক্ষা করছিলেন জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়ন থেকে আসা সেবাগ্রহিতা সাপিয়ার রহমানকে (৭০)। তিনি বলেন, ‘আমার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য এসেছি। এসে দেখি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবস্থান ধর্মঘটন পালন করছেন। নিরুপায় হয়ে দুপুর একটা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি’।
একইভাবে সদর উপজেলার লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের দুবাছুড়ি গ্রাম থেকে এসেছিলেন সুরুজ আলী (৬৫)। তিনি বলেন, ‘সকাল ১১টায় এসে দেখি যারা কাজ করবেন তাদেরকে অফিসের বাইরে বসে বসে থাকতে দেখি। এরপর জানলাম দুপুর একটার পর কাজ করবেন, এজন্য বসে আছি’। এসময় তাদের ন্যায় অনেক নারী পুরুষ সেবা গ্রহিতাকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ