• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন |

নীলফামারীতে প্যারোলে মায়ের জানাজায় সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

সিসি নিউজ।। নীলফামারী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাহিদ মাহমুদ প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতে হাতকড়া নিয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নেন। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় মঙ্গলবার দুপুরে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে মায়ের জানাজা শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। ৫ আগাস্ট পরবর্তী হত্যা, ভাঙচুরসহ কয়েকটি মামলায় পলাতক ছিলেন তিনি। গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর রংপুর নগরীর একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন ওই যুবলীগ নেতা। এর পর থেকে তিনি রংপুর কারাগারে আছেন।

সাহিদ মাহমুদের মা রওশন আরা বেগম (৯০) গত সোমবার বেলা ৩টার দিকে রংপুরের একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সার্কিট হাউজ কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয় । ওই দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবেগঘন বক্তব্যও দেন সাহিদ মাহমুদ। অনুষ্ঠনে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে অংশ নিতে দেখা যায়।

মরহুমা রওশন আরা বেগম জেলা শহরের থানাপাড়া মহল্লার মরহুম আজিম উদ্দিন আহমেদের সহধর্মীনী ছিলেন। তিনি একজন রত্নগর্ভা মা ছিলেন।

রওশন আরা বেগমের বড় মেয়ে লায়লা আরজু মান্দ বানু নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, অপর মেয়ে খালেদা বেগম খুলনার একটি বেসরকারি কলেজ শিক্ষক হিসেবে অবসরে গেছেন। ছেলেদের মধ্যে বড় ছেলে মরহুম রবিউল আলম একজন চিকিৎসক ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলে রেজাউল আলম বিশিষ্ট চর্ম রোগ বিশেষঞ্জ চিকিৎসক এবং রংপুরের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অধাপক, তৃতীয় ছেলে ড. রুস্তম আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ৪র্থ ছেলে সাহিদ মাহমুদ রাজনীতির পাশাপাশি একটি হিমাগারের চেয়ারম্যান। ছোট ছেলে তারিক মাহমুদ ঢাকার একটি বিদ্যুৎ কোম্পানীর কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ