• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

সিসি নিউজ।। নীলফামারী সদরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে মমিনুর রহমান (৬০) নামে এক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ৯ দিন ধরে হাসপাতালের বিছানায় তীব্র যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। এঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ৷
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান। ভুক্তভোগী মমিনুর রহমান সদর উপজেলার পঞ্জপুকুর ইউনিয়নের জামতলা এলাকার বাসিন্দা।
অভিযুক্তরা হলেন- পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের চার নাম্বার ওয়ার্ড কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জিকরুল ইসলামের ছেলে সুমন রানা (৩১), সুমন রানার স্ত্রী মনুফা বেগম (২৮), মৃত জাল মাহমুদের ছেলে মো জাহিদুল হক (৫৫) ও তার ছেলে নিপ্পন হক (২৬)।
থানার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত (২৯ আগস্ট) দুপুরে অভিযুক্তরা তাদের বাড়ির টয়লেটের ঢাকনা খুলে রাখেন। এতে মমিনুর রহমানের বাড়িতে দুগন্ধ ছড়িয়ে যায়। পরে মমিনুর রহমান সুমন রানাকে ঢাকনা বন্ধ করতে বললে দুজনের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে সুমন রানাসহ বাকি অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মমিনুর রহমানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন৷ পরে মমিনুর রহমানের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মমিনুর রহমানের ছেলে মিলন মিয়া বলেন, আমার বাবা একজন প্রতীবন্ধী ব্যক্তি, তারা টয়লেটের ঢাকনা খুলে দিলে আমরা গন্ধে থাকতে পারিনা। আমার বাবা সেটি বন্ধ করতে বলায় তারা আমার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
এবিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, এঘটনায় এজাহার পেয়েছি। আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ