• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন |

দারোয়ানী স্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবিতে ট্রেন আটকে অবরোধ, ৪ ঘন্টা পর চলাচলত

সিসি নিউজ।। নীলফামারী সদরের দারোয়ানী রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতির দাবিতে ট্রেন আটকে অবরোধ করেছে স্থানীয়রা। এতে প্রায় ৪ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় দারোয়ানি টেক্সটাইল এলাকায় ট্রেন থামিয়ে এ অবরোধ করা হয়। অবরোধকারীরা জানায়, চিলাহাটি-সৈয়দপুর রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ দারোয়ানি স্টেশন। এ স্টেশনে ট্রেনের নিয়মিত যাত্রাবিরতি না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দূরপাল্লায় মালামাল পরিবহনে বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। এখানে উত্তরা ইপিজেড সহ বিভিন্ন কারখানা রয়েছে। এতে দারোয়ানি স্টেশনে ট্রেন যাত্রাবিরতির দাবি জানায় সদরের সোনারায়, চড়াইখোলা ও কুন্দপুকুর ইউনিয়নের মানুষেরা। আজ বুধবার সকালে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে সহস্রাধিক লোক দারোয়ানি স্টেশনে সমবেত হয়ে রেলপথ অবরোধ করে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। এ সময় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা রকেট মেইল ট্রেনটি দারোয়ানি স্টেশনে এলাকায় আটকা পরে। অপরদিকে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রুপসা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি নীলফামারী স্টেশনে আটকা পরে। এতে এই ট্রেনে থাকা এবং সৈয়দপুর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর স্টেশনের সহস্রাধিক খুলনাগামী যাত্রী আটকা পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম বলেন, আমরা এই এলাকার মানুষ ছাড়া আশপাশের ইউনিয়নের সাধারণ যাত্রীরা এ স্টেশন ব্যবহার করে যাতায়াত করি। অনেক ব্যবসায়ীও এখান থেকে দূরদূরান্তে মালামাল নিয়ে যান। তাই আমাদের প্রধান দাবি এখানে যাত্রাবিরতি দিবে হবে। এতে আমাদের চলাচলের সুবিধা হবে। পলে জেলা সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নীলফামারী স্টেশন মাস্টার ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধাকারীদের যাত্রাবিরতির আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, আমরা রেলওয়ে কতৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবো। এখানে যেসব ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়া সম্ভব হয়, আলোচনার মাধ্যমে সেসব ট্রেনের যাত্রাবিরতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ