• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে জাল দানপত্র দলিলে কোটি টাকার সম্পদ বিক্রি

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে জাল দানপত্র দলিল তৈরি করে প্রতারণার মাধ্যমে ওয়ারিশদের সম্পত্তি বিক্রির অভিযোগ ওঠেছে। শহরের ওয়াপদা মোড় এলাকার বাসিন্দা মুশতাক আহমেদ কায়সার ওরফে বাবলু নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন একই এলাকার বাসিন্দা কানাডা প্রবাসী নাইমুল হাসান ফাইজী। বুধবার সকালে তিনি তাঁর নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ  অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে নাইমুল হাসান ফাইজী বলেন, আমার বাবা আবুল হাসান বুলু বিভিন্ন সংবাদপত্রের নিয়মিত কলামিষ্ট ছিলেন। আমার দাদা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক ডিএসপি খান সাহেব বছির উদ্দীন সরকার ১৮ একর জমি ভোগ-দখল করা অবস্থাতে মারা যান। তার এক ছেলে ডাঃ মোখলেছুর রহমান ১৯৫৮ সালে তার সমস্ত সম্পত্তি তার ভাইবোনদের দিয়ে লন্ডনে চলে যান। লন্ডনেই তার মৃত্যু হয়। আমার দাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ২০১৬ সালে আমার বাবা আবুল হাসনাত বুলুসহ তার তিন ছেলে ও সাত মেয়ের নামে বিএস রেকর্ডভুক্ত হয়। রেকর্ডমূল্যে আমার চাচাত ভাই মোস্তাক আহমেদ কায়সার ১৩৯ শতক সম্পত্তির মালিক। কিন্তু তিনি জাল দানপত্র তৈরি করে ২৪৮ দশমিক পাঁচ শতক জমি ৩০টি দলিলে বিক্রি করেন। এর মধ্যে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) আদেশে নামজারি বাতিল হওয়া সত্বেও তথ্য গোপন করে পাঁচটি দলিলে কোটি টাকার বেশি মূল্যের জমি বিক্রি করেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের বিএস ১৯৩১ নং খতিয়ানের ৪৭১৮ নং দাগের ৬ শতক জমিতে আমার দুই ফুফুসহ আমি সীমানাপ্রচীর দিয়ে রাখি। মুশতাক আহমেদ কায়সার ও সিদ্দিকা ইসলাম কল্পনাসহ তাদের লাঠিয়াল বাহিনী সেই জমির সীমানাপ্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। আমি বাধা ও থানায় অভিযোগ দেওয়ায় তারা আমাকে খুন এবং আমার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে নাইমুল হাসান বলেন, আইনজীবি না হয়েও নিজেকে হাইকোর্ট ডিভিশনের একজন পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছেন মুশতাক আহমেদ কায়সার। তার নামে একাধিক মামলা চলমান। এর আগে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি।
নাইমুল ইসলাম  বাবার সম্পত্তি রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপিস্থিত ছিলেন নাইমুল হাসানের ভাতিজা জুলফিকার নাঈম সরকার ও তার সম্পদের কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম।
এ ব্যাপারে মুশতাক আহমেদ কায়সার বলেন, দানপত্র দলিলমূলে এই জমির মালিক আমি। এ জমি সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। আদালতে নিষেধাজ্ঞা কিংবা কোনো রায়ও দেননি, তাই আমি এ জমি বিক্রি করেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ