• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

‘আমাদের আন্দোলন জনগনের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন’- হাবিব উন নবী খান

সিসি নিউজ।। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেছেন,‘আমাদের আন্দোলন জনগনের অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলন, ক্ষমতা আমাদের কাছে মূখ্য নয়। এ আন্দোলন বাংলাদেশের জনগণের হারিয়ে যাওয়া অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন।’
শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের পৌর সুপার মার্কেটে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের পাশে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। গায়েবি মামলায় নির্বিচারে গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা, পুলিশি হয়রানি, দ্রব্য মুল্যের উর্দ্ধগতি, বিদ্যুতের লোডসেডিংসহ চলমান আন্দোলনের ১০ দফা দাবিতে দেশ ব্যাপী কর্মসূচি অংশ হিসেবে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
তিনি বিএিনপি নেতাকর্মীদের গুম-মামলা-হামলার কথায় বলেন,‘এতো মামলা খাবার পরেও, জনে জনে গুম হবার পরেও সারা বাংলাদেশে বিএনপির একজন নেতার মুখের, একজন কর্মীর নেতার মুখের ম্লোগান কেড়ে নিতে পারেন নাই।’
প্রধান অতিথি আরও বলেন, ‘২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপির নামে এক লক্ষ মামলা হয়েছে। ৩৭ লক্ষ নেতা-কর্মীর নামে মামলা হয়েছে। ৬০০ নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে। এখনো ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাঁর স্বামীর অপেক্ষায় আছেন। ইলিয়াস আলীর সন্তানেরা তাঁর পিতার অপেক্ষায় আছেন, এখনো চৌধুরী আলমের পরিবার অপেক্ষায় আছেন। কখন দরজায় এসে কড়া নারবেন তাদের প্রিয়জন।’
দ্রব্য মুল্যের উর্দ্ধগতির কথা বলতে গিয়ে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, ‘বাজারে প্রতিটা জিনিসের দাম ধরা ছোয়ার বাহিরে। গরিব মানুষেরা মাসে একবারও তাদের সন্তানদের মুখে মাংস তুলে দিতে পারছেন না। ভালো মাছ খাওয়াতে পারছেন না। মানুষ হাসতে হাসতে বাজারে যায়, কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসেন।’ এসময় নীলফামারী শহরে বিএনপির চাহিদা অনুযায়ী স্থানে সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার ব্যাপারে প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির জেষ্ঠ সহ সভাপতি  সোহেল পারভেজ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল আলম, সহ সভাপতি মোস্তফা হক প্রধান, মীর সেলিম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আক্তারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক সেফাউল জাহাঙ্গীর আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি আল মাসুদ চৌধুরী, ডোমার উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেয়াজুল ইসলাম, জলঢাকা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফাহমিদ ফয়সাল, জেলা যুবদলের সভাপতি এইচ এম সাইফুল্লাহ প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ