• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গ্যাস ট্যাবলেট খাইয়ে গৃহবধূকে হত্যা, গ্রেপ্তার-২

ফরিদুল ইসলাম, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) ।। কিছুদিনের প্রেম। এরপর পরিবারের অসম্মতিতে লাইম মিয়া ওরফে নাহিদ (২০) নামে এক যুবককে পালিয়ে বিয়ে করেন কিশোরী সাদিয়া আক্তার সাথী (১৩)। তবে বিয়ের পর সেই প্রেম আর মধূর হয়নি। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করতে থাকেন শশুর বাড়ির লোকজন।

মঙ্গলবার দিনে ৪ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাথীকে মারপিট করে তার স্বামী ও শাশুড়ি। তবে সাথী তার বাবার পরিবারের কাছে থেকে যৌতুকের টাকা নিয়ে আসতে অপারগতা প্রকাশ করে। বুধবার ভোর বেলা সাথীর পরিবার জানতে পারেন তাদের মেয়ে বিষ জাতীয় গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে মারা গেছেন।

খবর পেয়ে বুধবার সকালে থানা পুলিশ শশুর বাড়ি থেকে নিহত সাথীর মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্বামী এবং শাশুড়িকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত সাদিয়া আক্তার সাথী গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তল্লাপাড়া  গ্রামের শাহাদত হোসেনের মেয়ে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন, ঘোড়াঘাট উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আকবর হোসেনের ছেলে লাইম মিয়া ওরফে নাহিদ (২০) এবং শাশুড়ি লাকি বেগম (৪০)।

মামলায় বলা হয়, ৩-৪ মাস আগে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে সাথীকে বিয়ে করে নাহিদ। মঙ্গলবার দিনের বেলা যৌতুকের দাবিতে সাথীকে মারপিট করার পর রাতে তার স্বামী সাথীকে ঘুম থেকে জেগে উঠিয়ে মুখে বিষ জাতীয় গ্যাস ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দিয়ে হত্যা করে।

সাথীর বাবা শাহাদত হোসেন বলেন, ‘আমার জামাতা ইতিপূর্বেও দুটি বিয়ে করেছিলো। যৌতুকের কারণে মারপিট করায় সেই দুজন চলে গিয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্থি চাই।’

ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: নুরে আজমির ঝিলিক বলেন, ‘অচেতন অবস্থায় পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় আমরা রোগীতে দিনাজপুর মেডিকেলে রেফার্ড করি।’

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপÍ কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার নিহতের স্বামী ও শাশুড়িকে বুধবার বিকেলে দিনাজপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ