• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ থেকে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেল ৫১ শিক্ষার্থী

সিসি নিউজ।। এবারেও নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে ৫১ জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। আজ রোববার ২০২৩-২৪ সেশনের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেছে। এতে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উল্লেখিত সংখ্যক শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পায়।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগে ২২৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এদের মধ্যে ১৫৭ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তৎমধ্যে এবারে ৪৪ জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।এদের মধ্যে ছেলে ১২ জন ও মেয়ে ৩৯ জন। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৩ সালে ৩৬ জন, ২০২২ সালে ৩৯ জন, ২০২১ সালে ৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩৬ জন ও ২০১৮ সালে ৩৮ জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল।

সূত্রটি আরো জানায়, ১৯৬৪ সালে দেশের চারটি শিল্পাঞ্চলে টেকনিক্যাল স্কুল গড়ে ওঠে। এদের একটি হচ্ছে সৈয়দপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল। পরে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি কলেজে উন্নীত করে নাম দেওয়া হয় সৈয়দপুর সরকারী টেকনিক্যাল কলেজ। ২০১৯ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর নাম পরিবর্তন করে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ নামকরণ করেন। কলেজটিতে কেবলমাত্র বিজ্ঞান বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে।

কলেজটির শিক্ষাদান বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং কঠোর তদারকির ফলে প্রতিবছর আশানুরুপ ফলাফল করছে শিক্ষার্থীরা। মূলতঃ শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের পরিবারেরে একটি অংশ মনে করে থাকে। এছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অটুট থাকায় প্রতিবছর মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ধারাবাহিক সফলতা ধরে রাখছে বলে মনে করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ