• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে উর্দূভার্ষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে আটকেপড়া উর্দূভাষী ২২টি ক্যাম্পের সাধারণ জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বেলা ১২ টায় শহরের বিমানবন্দর সড়কের রেলওয়ে মেস ক্যাম্পে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সৈয়দপুর উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটি ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সৈয়দপুর উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. মাজিদ ইকবাল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১৮ জুলাই সারাদেশে মতো সৈয়দপুরের সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্রছাত্রীদের কর্মসূচিতে চলাকালে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় শহরের পাঁচ মাথা মোড়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল ভাঙচুর,ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করাসহ দায়িত্বরত আইনশৃংখলাবাহিনীর সদস্যদের ওপর  চড়াও হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে আহত করা হয়। মূলতঃ ছাত্রছাত্রীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে  জামায়াত- বিএনপির লোকজন ঢুকে পড়ে এ ধরণের নাশকতা ও অগ্নি সন্ত্রাস করেছে। যা ইতিমধ্যে সরকারিভাবেও দাবি করা হয়। অথচ গত ৩০ জুলাই আওয়ামী লীগ সৈয়দপুর পৌর ও উপজেলা শাখা যৌথভাবে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা গত  ১৮ জুলাই সংঘটিত নাশকতার ঘটনায় উর্দূভাষী তথা ক্যাম্পবাসীকে ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করে বক্তব্য দেন। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে আমরা সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত ব্যথিত ও মর্মাহত হয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, গত ১৮ জুলাই সৈয়দপুরে সংঘটিত নাশকতার ঘটনায় উর্দূভাষী ক্যাম্পের কোন লোকজন ব্যক্তিগতভাবে জড়িত থাকলে তার যদি কোন প্রমাণ তথা ভিডিও ফুটেজ প্রশাসন কিংবা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের কাছে  থাকে, তাহলে  বিষয়টি উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির কাছে অবগত করলে আমরা ওই সব দোষী ব্যক্তিদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তথা প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে সার্বিক সহযোগিতা করবো।

সংবাদকর্মীদের জানান, সৈয়দপুরে ২২টি আটকেপড়া উর্দূভাষী ক্যাম্পের কথা বলা হলেও বাস্তবে এখানে ছোট বড় মিলে ২৬টি ক্যাম্প রয়েছে। এ সব ক্যাম্পে ৪ হাজার ৬৭০টি পরিবার বসবাস করছে। লোক সংখ্যা আনুমানিক ২০ হাজার। গত ২০০৮ সালে উর্দূভাষীরা ভোটাধিকার পান। সেই থেকে তারা যে কোন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। অনেক উর্দূভাষী ক্যাম্পবাসী সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে পড়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দপুর উর্দূভাষী ক্যাম্প উন্নয়ন কমিটির সহ-সভাপতি মো. মোনায়েম ও সানজিদা বেগম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. চাঁন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাজাদা, কোষাধ্যক্ষ পাপ্পু, প্রচার সম্পাদক আবিদ আলী মনা, দপ্তর সম্পাদক সনিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ