• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন |

আত্মগোপনে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র: সেবা নিয়ে ভোগান্তি

বিশেষ প্রতিনিধি।। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী সরকারের পতনের পর পরই নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবী গা ঢাকা দিয়েছেন। তিনি কোথায় তা জানেন না পৌরসভার কর্মকর্তারা। এদিকে এক সপ্তাহ পার হলেও পৌর মেয়র কার্যালয়ে না আসায় জন্মসনদ, মৃত্যুসনদ, ওয়ারিশনামা, চারিত্রিক সনদসহ বেশ কিছু সেবা কার্যক্রম নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌরসভার বাসিন্দারা। তবে কাউন্সিলর এবং পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। মেয়র রাফিকা আকতার পৌর মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক।

আজ সোমবার সরেজমিন পৌর ভবনে গিয়ে দেখা যায় মেয়র রাফিকা আকতার জাহানের কক্ষ তালাবদ্ধ। অনুপস্থিত প্যানেল মেয়র শাহিন হোসেনও। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা বসে আছেন মেয়রের কক্ষের সামনে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী জানান, ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর থেকে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, এতে মেয়র পৌরসভায় আসছেন না। প্যানেল মেয়রের দেখা মিলছে না। তবে দুই একজন বাদে কাউন্সিলরা নিয়মিত আসছেন। কিন্তু কিছু কিছু সেবা আছে যা পৌরমেয়র ছাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।

সেবা নিতে আসা ইমতিয়াজ হোসেন নামে একজন বলেন, জমির ওয়ারিশনামা দরকার। তিনদিন ধরে পৌরসভায় ঘুরছি। পৌর মেয়র নেই। এ অবস্থায় আমার সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। সুলতানা বেগম নামের একজন বলেন, ছেলের জন্মসনদ সংশোধ করার জন্য ৫ দিন ধরে ঘুরছি। কিন্তু সমাধান পাচ্ছি না।

সৈয়দপুর পৌর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এরশাদ হোসেন পাপ্পু বলেন, আমরা যারা কাউন্সিলরা আছি তারা নিয়মিত পৌর কার্যালয়ে আসছি। নিজ নিজ ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সেবা দিচ্ছি। তবে গুরুত্বপূর্ণ যেসব বিষয় রয়েছে মেয়র যেখানে আত্মগোপনে আছে হয়ত কর্মচারীরা সেখানে গিয়ে ফাইল স্বাক্ষর করে আনছেন।

সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুর জামান বলেন, একটা সরকার বিদায় হয়েছে। অন্য একটা সরকার এসেছে। একটা পরিস্থিতি চলছে। মেয়রের অনুপস্থিতে সেবা নিয়ে তেমন কোনো জটিলতা হচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ