সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রকৌশলী সুলতান মৃধার বিরুদ্ধে রেললাইনের পাত চুরির চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পার্বতীপুরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী তহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাত আরো ৬/৭ জনকে আসামী করা হয়েছে।
জিআরপি পুলিশ আজ শুক্রবার গ্রেফতারকৃত উক্ত প্রকৌশলীকে নীলফামারী আদালতে প্রেরণ করলে তাঁর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে।
প্রকৌশলী সুলতান মৃধা মাদারীপুর জেলার শিবচরের চর কামার হাওলাদার কান্দি এলাকার মৃত হবির উদ্দিন মৃধার পুত্র।
এ দিকে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল কর্তৃপক্ষ গোডাউন থেকে রেলপাত চুরির চেষ্টার সময় হাতেনাতে আটক সৈয়দপুর উর্ধ্বতণ উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) সুলতান মৃধাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। সেই সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশীর বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ বীরবল মন্ডলকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টীম গঠন করেছে। কমিটি সরজমিনে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে ২/৩ দিনের মধ্যে সৈয়দপুরে আসবেন।
মামলা সূত্রমতে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অফিস সংলগ্ন গোডাউনে চারটি অক্সিএসিটিলিন সিলিন্ডার, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, কাটিং ক্যাবলসহ ২৫ টুকরো রেলপাত উদ্ধার করা হয়। উর্ধ্বতণ কর্মকর্তার নির্দেশে বাংলাদেশ রেলওয়ে পার্বতীপুরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী তহিদুল ইসলাম তাৎক্ষনিক সড়ক পথে এসে হাতেনাতে আটক করে প্রকৌশলী সুলতানকে। উদ্ধার করে চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও রেলপাতের টুকরোগুলো। যার আনুমানিক মূল্য এক লাখ টাকা। এসব চুরির এই কাজে ৫/৭ জনের মতো লোক সহযোগিতা করছিল বলে জানান মামলার বাদী তহিদুল ইসলাম।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুন নবী জানান, রেলওয়ের কর্মচারী হয়ে অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের নিয়ে রেলের পাতগুলো ২৫ টুকরো করে ক্ষতিসাধন ও চুরির উদ্যোগ গ্রহণ করায় বাংলাদেশ পেনাল কোড ১৮৬০ এর বিভিন্ন ধারায় বাদী মামলা দায়ের করেছে।