• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ খালের বাধ ভেঙ্গে ৩০ একরের খেত নষ্ট

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পের দিনাজপুর সেচ খালের বাধ ভেঙ্গে ৩০ একর জমির আমন ধান খেতের সদ্য রোপিত চারা নষ্ট হয়েছে। রবিবার সকাল ১১টার দিকে জেলা সদরের কালিতলা ভাট্টাতলি নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এতে করে ওই সেচ খালে জেলা সদরের চাঁদেরহাট স্লুইচ গেট থেকে দিনাজপুরের খানসামা ও চিরিরবন্দর এলাকায় খরিপ-২ মৌসুমের সেচ প্রদান বন্ধ রয়েছে। বিধ্বস্ত স্থানে মাটি ও জিওব্যাগ ফেলে মেরামতের কাজ চলছে।

কালিতলা ভাট্টাতলি গ্রামের কৃষক ইউনুছ আলী (৪৫) বলেন, গত কয়েকদিন ধরে অনাবৃষ্টিতে ক্যানেলের সেচের পানির চাহিদা বৃদ্ধি পায় কৃষকদের মধ্যে। ওই পানি দিয়ে কৃষকরা রোপা আমন ধানের চারা রোপনের কাজ চলছিল এলাকায়। শনিবার রাতে ভারি বৃষ্টি হওয়ায় সেচখালে পানি বৃদ্ধি পায়। এতে করে ইঁদুরের গর্তের কারণে সেচ খালে বাধে ফাটল দেখা দেয়।

রবিবার সকালে পানির চাপে ওই ফাটল স্থান বিধ্বস্ত হলে আবাদী জমিতে পানি প্রবেশ করায় এলাকার প্রায় ৩০ একর রোপা আমন ধান খেতের সদ্য রোপিত চারা পানির নীচে তলিয়ে যায়। অপর কৃষক মোজাম্মেল আলী (৫০) বলেন, ‘আমার পাঁচ বিঘা জমির রোপা আমন খেত পানির নীচে তলিয়ে গেছে। এলাকার অনেক কৃষক আমার ন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নতুন করে চারা রোপণ করতে হবে’।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে রাতে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে খালের পাড়ের মাটির উপর চাপ পড়ে। এতে ইঁদুরের গর্তে পানি ঢুকে পাড়ের ৩০ ফুট বিধ্বস্ত হয়। প্রাথমিকভাবে জিওব্যাগ ও মাটি দিয়ে ভাঙা অংশ মেরামত করা হচ্ছে। আশা করি আগামী দুই দিনের মধ্যে ওই খাল দিয়ে স্বাভাবিক সেচ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে’।

উল্লেখ যে, তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে গত পহেলা জুলাই থেকে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে তিস্তা সেচ প্রকল্পের খরিপ-২ মৌসুমী আমন ধান উৎপাদনে সেচ কার্যক্রম শুরু হয়। এ মৌসুমে ৬৩ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদানে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে নীলফামারী জেলায় ৩৯ হাজার, রংপুর জেলায় ১৪ হাজার এবং দিনাজপুর জেলায় ১০ হাজার হেক্টর রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ