• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন |

সৈয়দপুরে সুপ্ত প্রতিভার খোঁজে প্রতিযোগিতা: ১০ শিক্ষার্থী পুরস্কৃত

।।মোহাম্মদ সজীব।। শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৈয়দপুরের কয়া গোলাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে “সুপ্ত প্রতিভার খোঁজে” শীর্ষক আবৃত্তি, রচনা ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গ্লোবাল ইয়ুথ এডুকেটরস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং সৈয়দপুর রিজিয়নের আয়োজনে শনিবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যে উপস্থিত অভিভাবক, শিক্ষক ও অতিথিবৃন্দ মুগ্ধ হন।

সংগঠনের নির্বাহী সদস্য সেঁজুতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন গ্লোবাল ইয়ুথ এডুকেটরস ফাউন্ডেশনের সৈয়দপুর রিজিয়নের প্রধান শোয়াইব রায়হান। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন শোয়াইব রায়হান এবং প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেন আহমেদ মাশরুর কবীর মুকিত।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মুয়িয। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যেতে হলে নিয়মিত এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। নিজ মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। তবেই একদিন দেশের নাম উজ্জ্বল হবে।” তিনি অভিভাবকদের প্রযুক্তিকে ইতিবাচক কাজে ব্যবহারের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সেফ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মো: রবিউল ইসলাম এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলনের পরামর্শ দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্য জায়েদ, মারুফ, তাসরেফা সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে শোয়াইব রায়হান বলেন, “প্রতিটি শিশুর মাঝেই সুপ্ত প্রতিভা রয়েছে। সঠিক সুযোগ পেলে তারা দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। আমরা সেই মঞ্চ তৈরি করে দিতে চাই।”

প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আহমেদ মাশরুর কবীর মুকিত বলেন, “শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে অভিভূত হয়েছি। মাত্র ০.৫ নম্বরের ব্যবধানে অনেকে পিছিয়ে পড়েছে। হতাশ না হয়ে নিয়মিত চর্চা চালিয়ে যেতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে স্কাউট সদস্য ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ১০ জন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে মেডেল ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটরের পক্ষ থেকে ১ জনকে “সেরা আয়োজক” এবং ২ জন প্রতিযোগীকে “বিশেষ স্বীকৃতি” প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন কয়া ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও অনুরূপ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ