নওগাঁ: নওগাঁর ধামইরহাটে এক গৃহবধূর চুল কেটে দিয়েছে দুবৃর্ত্তরা। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই গৃহবধূকে এ বর্বরতার শিকার হতে হলো। বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় ঘটে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উপজেলার মইশড় গ্রামের আবদুল জলিল ও তার স্ত্রী জোবেদার মধ্যে তিন মাস ধরে কলহ চলছিল। জোবেদাকে তালাক দেওয়ার হুমকি দেন স্বামী। এতে এ দম্পতির সংসার ভাঙনের মুখে পড়ে।
স্বামী-স্ত্রীর বিবাদ মীমাংসার নামে সুযোগ নেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মহসিন আলী ও তার সহযোগীরা। কলহ মীমাংসার জন্য কিছু আলোচনা করতে হবে বলে জোবেদাকে তার বাড়ির পাশের শালবাগানে ডেকে নিয়ে যায় মহসিনের এক সহযোগী। জোবেদা শালবাগানে গিয়ে মহসিন ও তার সহযোগী ছাড়া অন্য কাউকে দেখতে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতে চান। এ সময় জোবেদার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে তারা।
শেষ পর্যন্ত জোবেদা নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করতে সক্ষম হন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতে মহসিন ও তার সহযোগীরা জোর করে জোবেদার মাথার চুল কেটে দেয়। ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে ধামইরহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মামলা দায়েরের পর ঘটনার মূল আসামি উপজেলার মইশড় গ্রামের ইউপি সদস্য মহসিন ও একই গ্রামের খোকার ছেলে আমিনুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। রাইজিংবিডি