স্বাস্থ্য ডেস্ক: খাওয়ার সময়ে অনিয়ম, অতিরিক্ত ঝাল ধরনের খাবার কিংবা ভাজাপোড়া খাওয়ার কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়। অনেকেই বিভিন্ন ব্যস্ততায় খাওয়ার সময় নিয়ে অনিয়ম করেন। কিন্তু এতে গ্যাস্ট্রিক হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে যায়। হয়তো প্রাথমিক ভাবে এই গ্যাস্ট্রিকের উপদ্রব আপনার জন্য বেশি ক্ষতিকর না মনে হলেও পরবর্তীতে এই সামান্য গ্যাস্ট্রিকের কারণে হতে পারে আলসার এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের মত মারাত্মক রোগ। এছাড়া প্রতিদিনের গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা তো আছেই। সুতরাং আমাদের নিজেদের শরীরে প্রতি যত্নশীল হতে হবে। গ্যাস্ট্রিক যাতে না হয় তার জন্য নিজেদের যত্ন নিজেদেরই করতে হবে। আসুন জেনে নিই গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে রেহাই পেতে আমরা কী করতে পারি তার একটি ছোট্ট তালিকা।
•অতিরিক্ত ঝাল ধরনের খাবার, ভাজাপোড়া এবং তৈলাক্ত খাবার এরিয়ে চলুন।
•প্রতিদিন ঠিক একই সময়ে খাবার চেষ্টা করবেন। এবং কখনোই একবেলার খাবার বাদ দেবেন না।
•প্রতিদিন খাবার তালিকায় ফলমূল এবং সালাদ রাখুন। এতে পেত ঠাণ্ডা থাকবে। গ্যাস হবে না।
•ফ্যাট মুক্ত, এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
•প্রতিদিন অন্তত ২-১.৫ লিটার পানি পান করুন।
•প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিত হাঁটুন।
•প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন।
•মানসিক চাপ মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। কারন মানসিক চাপের সাথে খাবার খাওয়ার সময় এবং খাদ্যতালিকা দুটোর ওপরেই প্রভাব পরে।
•ধূমপান এবং মদ্যপান ত্যাগ করুন। কারন ধূমপান এবং মদ্যপান করলে খাবারের চাহিদা কমে যায়। ধূমপানের ফলে নিকোটিনের কারনে পাকস্থলীর ক্যান্সার হয়।