সিসি ডেস্ক: জনবিচ্ছিন্নতার জবাব মিলেছে ব্যালটে। তৃণমূল থেকে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে শোচনীয়ভাবে হেরে গেছেন তাঁর প্রার্থী।
চাঁদপুরে দীপু মনির বিরুদ্ধে স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ অনেক। মন্ত্রী থাকাকালীন চলেছেন ‘সুবিধাবাদী’ লোকজনের কথায়। এলাকার মানুষ তাঁকে কাছে পায়নি। এবার উপজেলা নির্বাচনের আগেও এলাকায় তেমন একটা যাননি তিনি। ভোটের দিন সকালে ভোট দিয়েই ঢাকা চলে যান। এই জনবিচ্ছিন্নতার জবাবই তিনি এলাকার ভোটারদের কাছ থেকে পেয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আর উপজেলায় এর খেসারত দিতে হয়েছে আওয়ামী লীগকে। জেলা সভাপতি ড. সামছুল হক ভূইয়া দলীয় প্রার্থী ইউসুফ গাজীর পরাজয়ের স্থানীয় এমপি দীপু মনিকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, প্রার্থীর সঙ্গে স্থানীয় এমপির সহযোগিতা না থাকা ও এমপির পালিত নেতা-কর্মীদের অসহযোগিতায় চাঁদপুর সদরে আমাদের প্রার্থী হেরে গেছেন।
স্থানীয়দের অনেকে জেলা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলো ভেঙে দেওয়া, দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতাকেও দায়ী করেছেন। এমপির নামধারী তথাকথিত নেতা-কর্মীদের অসহযোগিতাও এক্ষেত্রে দায়ী। কর্মীরা বলেছেন, ডা. দীপু মনি উপজেলা নির্বাচনের আগে এলাকায় উপস্থিত থাকেননি। দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে কোনো সভাসমাবেশও করেননি। শুধু নির্বাচনের দিন এমপি তার নিজ এলাকা রামপুর ইউনিয়নের কামরাঙ্গা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সকালে ভোট দিয়ে ঢাকা চলে যান।
মন্ত্রী থাকাকালে দলীয় নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে সুবিধাবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিভিন্ন কাজ করাটাও উপজেলায় হারার কারণ। জানা গেছে, ডা. দীপু মনি মন্ত্রী থাকাকালে যাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, সেই সুবিধাভোগীদের উপজেলা নির্বাচনে কোনো ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন