ঢাকা: ছাত্রদলের কমিটি মানেই একসময় পদগুলোতে অছাত্রদের জয়জয়কার ছিল পরিচিত একটা দৃশ্য। নিয়মিত ছাত্রদের সামান্য যে কজন কমিটিতে জায়গা পেতেন তারাও গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদই পেতেন না। এছাড়া নেতা হতে প্রচুর সময় ও অনিশ্চয়তার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ছাত্রদলে যোগ দিতেও চাইতেন না। আর এসব অভিযোগের কারণে বিএনপিকেও শুনতে হয়েছে বহু সমালোচনা। অন্যদিকে নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষার্থী না হওয়ায় বিএনপির বিগত আন্দোলনের সময় দলটিকে কার্যত কোনো সাহায্যই করতে পারেননি বিএনপিপন্থী শিক্ষকরা। কমিটিতে স্থান পাওয়াদের অনেকে ছাত্র না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির সঙ্গে তাদের সরাসরি যুক্ত করার ব্যাপারেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি শিক্ষকরা। এরফলে বিএনপির সরকার পতন ও নির্বাচন প্রতিহতের আন্দোলনে একরকম নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেন শিক্ষক ও ছাত্ররা।এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কমিটি থেকেও কয়েকজন সিনিয়র নেতা কমিটির মূল নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে জানা গেছে।
ঢাবির বিভিন্ন হলে পদপ্রত্যাশীরা হলেন:
সলিমুল্লাহ মুসলিম হল: সজীব (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), সাইদ (আরবি) মুজাহিদুর রহমান (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), হাবিবুল বাশার (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), জাফর (সমাজবিজ্ঞান), রাজু (লাইব্রেরি সাইন্স), ওয়াসিম খান মুক্ত (ইসলামের ইতিহাস), জয় (আইন বিভাগ), জসিমউদ্দিন খান (সমাজবজ্ঞিান), মিরাজ (ফার্সি), শিপন।
শহীদ সার্জন্টে জহুরুল হক হল: রাশেদ ইকবাল (ইতিহাস), শ্যামল মালুম (আরবি), নাদির শাহ (ইসলাম শিক্ষা), শফিউল আলম সৌরভ (আরবি), আসাদ (ইতিহাস), জাবেদ (আইন), আমানুল্লাহ (সঙ্গীত)।
স্যার এএফ রহমান হল: এসএম সোহেল রানা সম্রাট (বাংলা), মো. তাজবীর সিরাজী শিশির (ইতিহাস), মো. উজ্জল (পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্ট্যাডিজ), গোলাম সারোয়ার সুমন (ব্যবস্থাপনা), বদিউজ্জামান পলাশ (পালি), মো. রেজোয়ানুল হক সাকি (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা) ।
হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল: মো. রাসেল মিয়া (ম্যানেজমন্টে অ্যান্ড ইনফরমশেন সিস্টেম), রিয়াজ (লোকপ্রশাসন), রাকিব বিশ্বাস, সজল মিয়া (ইংরেজি), সোহেল (উন্নয়ন অধ্যয়ন), তারেক (আইন), শহিদুল ইসলাম, পারভেজ (লোক প্রশাসন), মো. রনি হাসান (দর্শন), সুমন (সমাজকল্যাণ), মো. খালদুন (ফার্সি)।
সূর্যসেন হল: রোকনুজ্জামান (ইতিহাস বিভাগ), আশিকুর রহমান (আইন বিভাগ), নিজামুদ্দীন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), শিমুল (ইসলামের ইতিহাস), খাইরুল ইসলাম (সমাজবিজ্ঞান)।
কবি জসমিউদ্দীন হল: সোহেল রানা (শান্তি ও সংঘর্ষ), আনোয়ার পারভেজ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), সালাহউদ্দিন শুভ (দর্শন), সাবিত হোসাইন (সমাজবিজ্ঞান), জুবায়ের মাহমুদ রাজু (বিশ্বর্ধমতত্ত্ব), অলিউর রহমান জনি (বাংলা) মেহেদী ইসলাম ফুয়াদ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), মো. রায়হান (সমাজবিজ্ঞান), মওদুদ আহমেদ (দর্শন), রিয়াজ (দর্শন), শিপন।
মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল: আবু সুফিয়ান (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), শাওন (সমাজবিজ্ঞান), সাব্বির হোসেন র্সূয (আইইআর), সিকান্দার আলী সুমন (দর্শন), আশিকুর রহমান (হিসাব বিজ্ঞান)।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল: করিম প্রধান রনি (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), ফারহান (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), মতিউর রহমান (পালি), আশরাফুল আলম (বাংলা), আহাদ হোসেন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), শরিফুল ইসলাম (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), লিটন এ আর খান (দর্শন)।
ফজলুল হক মুসলিম হল: রাকিব (পদার্থ বিজ্ঞান), রনি (গণিত), পারভেজ (পরিসংখ্যান), শিবলী (মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ), শফিক (পদার্থ বিজ্ঞান), সম্রাট (ফার্মাসি), ফজলুল হক (মৃত্তিকা), ইজাজুল কবির রয়েল (প্রাণিবিদ্যা), আবু রায়হান রনী (গণিত)।
অমর একুশে হল: অনিক (গণিত), রিয়াদ (কম্পিউটার সায়েন্স), নিলয়, শাকির, রিয়াদ, নাসির, আবুল হাসনাত, হাসান মোশারফ।
শহিদুল্লাহ হল: মির্জা গোলাম শাবু (পরিসংখ্যান), রাজিব রহমান (মৃত্তিকা বিজ্ঞান), মো. হাসনাত (মৃত্তিকা বিজ্ঞান), ইমন (গণিত), মাহমুদ (মৃত্তিকা বিজ্ঞান), পিয়াস (বোটানি), রাসেল (বোটানি), গোলাম সারোয়ার ইমন, ফারাবি।
জগন্নাথ হল: সজীব মজুমদার (গণিত), হেমন্ত কুমার সাহা (গণিত ), সম্রাট মালাকার (ট্যুরিজম), কৃষ্ণ রায় অনাবিল, সঞ্জিব সিংহ জন, সাহস রায়, তপু সরকার, প্রসেনজিৎ কর্মকার, পাপন দাস, চন্দন মিত্র, গোবিন্দ পাল, অর্জুন চাকমা।