বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: বিরামপুর উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগে থানা ও পৌর শাখার শীর্ষ বিএনপি নেতাদের বহিস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী বিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেলের লিখিত বক্তব্যে এই দাবী জানানো হয়।
মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল স্বাক্ষরিত এবং জেলা বিএনপি’র প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু পঠিত লিখিত বক্তব্যে নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ সমুহ উপস্থাপন করেন। বক্তব্যে জানান, উপজেলার ৭ ইউনিয়নের ৫১ সদস্য, পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডের ৫১ সদস্য, থানা শাখার ৭১ সদস্য ও পৌর শাখার ৭১ সদস্যর মধ্যে মাত্র ৪ জনের অনুপস্থিতে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মুকুর চৌধুরীর নিকট মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেলকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে দলীয় মনোনয়নের জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু থানা বিএনপি’র সভাপতি আশরাফ আলী মণ্ডল তার আপন ছোট ভাই দবিরুল ইসলামকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করিয়ে দেন এবং বিভিন্ন স্থানে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেন। এতে সহযোগিতা করেন, থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কমর সেলিম, সহ-সম্পাদক সাজু, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কয়েকজন বিএনপি নেতার কারণে দলীয় প্রার্থী মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেলের পরাজয় ঘটেছে। একারণে তৃণমূল নেতৃবৃন্দের পক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল লিখিত বক্তব্যে দলের শৃংখলা ভংগের দায়ে বিতর্কিত নেতাদের বহিস্কার করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক তোছাদ্দেক হোসেন তোছা, থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুর রশিদ রতন, পৌর বিএনপির হুমায়ন কবির মিলন, মহসীন আলী রাজু, ৭ ইউনিয়ন ও পৌর কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা বিএনপি’র প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু জানান, তৃণমূল কর্মীসভা থেকে বিতর্কিতদের অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হবে।