সিসি নিউজ: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত ৯৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের পরিবারকে ৭০ হাজার মার্কিন ডলার সহানুভূতিমূলক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ তথ্য জানান।
বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য এম এ মালেকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরো জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্বরত অবস্থায় নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য জাতিসংঘের কন্টিজেন্ট ওউন ইকুইপমেন্ট (সিওই) ম্যানুয়েলে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী মিশনে নিয়োজিত অবস্থায় কোন শান্তিরক্ষী আহত বা নিহত হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন।
মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উক্ত আবেদনপত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মিশনের মাধ্যমে জাতিসংঘ সদর দফতরে মৌ অ্যান্ড ক্লেইম ম্যানেজমেন্ট সেকশনে প্রেরণ করা হয়। প্রয়োজনীয় নিরীক্ষণের পর নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট ইউনিটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি বা পরিবারের নিকট পৌছে দেওয়া হয়।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর ছয় হাজার ১৫৫ জন সদস্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে লাইব্রেরিয়া, আইভরি কোষ্ট, দক্ষিণ সুদান, উত্তর সুদান (দারফুর), ডি আর কঙ্গো, পশ্চিম সাহারা, লেবানন ও মালি এই আটটি দেশে দায়িত্ব পালন করছেন।
তালিকায় আছে, পরিসংখ্যান নাই
স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন অস্থায়ী সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিফৌজ (এমএফ), মুক্তিবাহিনী (এফএফ), বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স (মুজিব বাহিনী/বিএলএফ) বাহিনীগুলোতে কতজন করে সদস্য ছিল তার সঠিক পরিসংখ্যান সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। তবে এসব বাহিনীর সকল সদস্যই মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আন্তর্ভূক্ত আছেন। জাতীয় পার্টির সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদের এক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
আওয়ামী লীগের সদস্য সামশুর হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা সদরে একটি করে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর স্থাপনের কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি। তবে প্রতিটি জেলায় নির্মাণাধীন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসমূহে সংশ্লিষ্ট জেলার মহান মুক্তিযোদ্ধাদের নিদর্শনসমূহ সংরক্ষণ করা যেতে পারে।