আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্তের খবরে তোলপাড় সারাবিশ্ব। যে বিমানে ১৩টি দেশের মোট ২২৭ জন যাত্রী ছিলেন। কিন্তু বিমান দুর্ঘটনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ।
ভিয়েতনামের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এক নৌবাহিনী কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে ভিয়েতনাম উপকূলের কাছেই কোথাও বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
কিন্তু প্রথমে বিমান বিধ্বস্তে মালয়েশিয়া একমত হলেও পরবর্তীতে দেশটির পরিবহণমন্ত্রী দ্বিমত পোষণ করেন। তার দাবি, বিমানটি অজ্ঞাত স্থানে নিখোঁজ হয়েছে।
পরিবহণমন্ত্রী দাতুক সেরি হিসামুদ্দীন হুসেইন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিমানটি খুঁজছি। আর বিধ্বস্তের বিষয়ে যাচাই করছি।”
পরিপূর্ণ তথ্য পেতে মালয়েশিয়ান সেনাবাহিনী ভিয়েতনামিদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। খোঁজ চালাতে দুই দেশ যৌথ অভিযানেও একমত হয়েছে। চীনও এতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি বোয়িং ৭৭৭-২০০ বিমান দুর্ঘটনাটি গত ১৯ বছরে সবচেয়ে বড় ধরণের বিমান দুর্ঘটনা। এর আগে ২০০৯ সালের জুন মাসে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে এক বিমান পতনের ঘটনা ঘটে। সেবার নিহত হয়েছিলেন ২২৮ জন।
রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের বেইজিং-এ যাওয়ার পথে শুক্রবার গভীর রাতে হারিয়ে যায় বিমানটি। ৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে পৌঁছানোর পর থেকেই বিমানের সাথে আর যোগাযোগ রক্ষা সম্ভব হয়নি।