রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রৌমারীর ঘুঘুমারি এলাকায় ব্যবসায়ীর ২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৭৫ হাজার টাকায় রফা করলেন ইউপি মেম্বার। তার সঙ্গে সালিশে ছিলেন উলিপুরের রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন। ছিনতাইয়ের কবলে পড়া মুকুল ও লক্ষণের অনুপস্থিতেই সোমবার ওই মেম্বারের উঠানে সালিশ বৈঠক বসে। ওই সালিশে ছিনতাইয়ের ৭৫ হাজার টাকা আদায় করে তা ক্ষতিগ্রস্তদের না দিয়ে বিচারক মেম্বার ও চেয়ারম্যান মিলে ভাগ করে নেয়ার অভিযোগ মিলেছে।
রোববার রাতে ঘুঘুমারী ঘাটের সন্নিকটে এ ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে। উলিপুরের ফকিরের হাট এলাকার মুকুল ও শ্রী লক্ষণ নামের ২ চাউল ব্যবসায়ী রৌমারীর চর শৌলমারী হাট থেকে বাড়ি ফেরার পথে ৮/১০ জন ছিনতাইকারী তাদের পথ রোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী কোপাতে থাকে। পরে তাদের নিকট থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে কেটে পড়ে ছিনতাইকারীরা।
আহত মুকুল ও শ্রী লক্ষণ জানায়, চর শৌলমারীর শাহজালাল, ঘুঘুমারীর বাবু মিয়া, আব্দুল হামিদ, আক্কাস আলী, শফিকুল ইসলামসহ ৮/১০ জনের একটি সশস্ত্র দল আমাদের পথ রোধ করে এলোপাথারি কুপিয়ে আহত করে এবং ২ লাখ টাকা ছিনতাই করে। তারা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তাদের পক্ষে থানায় অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে বাদি পক্ষের হয়ে উলিপুরের রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া ওই সালিশে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, সালিশটি একতরফা করা হয়েছে। ২ লাখ টাকা নিয়ে তারা আমাদের ৭৫ হাজার টাকায় রফা করে দেয়। ফলে আমরা কোনও টাকা নেইনি।
এ ব্যাপারে রৌমারী থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বললেন অন্য কথা। তিনি বলেন, বিষয়টি ছিল একান্ত পারিবারিক। সেখানে কোন ছিনতায়ের ঘটনা ঘটেনি। আহতদের চিকিৎসা বাবদ ওই টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এখানে আমাদের করার কিছু নেই।