সিসি নিউজ: আসন্ন ঈদের আগে সংঘবদ্ধ শতাধিক ডাকাত রংপুরের ১১ স্থানে ডাকাতির পরিকল্পনা করেছে। এ লক্ষ্যে তারা সড়ক ও মহাসড়কগুলোয় সুযোগের অপেক্ষা করছে। বুধবার আটক হওয়া পাঁচ ডাকাত পুলিশের কাছে এমন তথ্য দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার মধ্যরাতে মিঠাপুকুর উপজেলার ফুলবাড়ী মহাসড়কে ডাকাতির সময় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সরদার নুরুল ইসলাম নিহত এবং পাঁচজন আটক হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডাকাতি পরিকল্পনার নানা তথ্য দিয়েছে।
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর রোজার ঈদ সামনে রেখে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের পীরগঞ্জ উপজেলার রাউতপাড়া, কলাবাগান, তুলারাম মজিদপুর; মিঠাপুকুর উপজেলার বলদিপুকুর, জায়গীরহাটের শাপলা হিমাগারের সামনে, মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ী মহাসড়কের শাল্টিরহাট, ভেলুয়ার সেতু ও পাগলারহাট; বদরগঞ্জ উপজেলার লালদিঘী সড়কের চাপড়ার দোলা এবং রংপুর-বদরগঞ্জ নয়ারহাট, এরশাদ সেতু এলাকায় সংঘবদ্ধ দল ডাকাতি করে।
এসব ডাকাতের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় ৫ থেকে ১০টি করে ডাকাতির মামলা রয়েছে। এদের কেউ কেউ পুলিশ ও র্যাবের হাতে ধরা পড়লেও জামিনে বেরিয়ে এসে আবার সংঘবদ্ধ হয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটাচ্ছে। গত বছর এসব সড়কে ১২টি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ডাকাত-পুলিশ বন্দুকযুদ্ধে চার ডাকাত নিহতও হয়। আটক হয় ১৬ ডাকাত। তাদের সবাই জামিনে বেরিয়ে এসে আবার সক্রিয় হয়েছে।
পুলিশ সুপার আবদুর রাজ্জাক গতকাল জানিয়েছেন, ডাকাতি প্রতিরোধে এবার মহাসড়ক ও সড়কের চিহ্নিত স্থানগুলোয় সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।