হাবিবুর রহমান, চিলমারী : কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার কাজের টাকা সংশ্লিষ্টরা ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪/২০১৫ অর্থ বছরে উপজেলার ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও সংস্কারের নামে প্রতিটি বিদ্যালয়ের বিপরীতে ১ লাখ টাকা করে সর্বমোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। এরপর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের যোগসাজশে নামে মাত্র সামান্য কাজ করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে বিল প্রদান করে বেশির ভাগ টাকা আত্মসাদ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে চিলমারী-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় গিয়ে দেখা ও জানা যায় নিন্ম মানেন কয়েকটিকাট ও দু’একটি টিন লাগিয়ে দায়সারা কাজ শেষ করেছেন। পরে চরখরখরিয়া, অধিকারী পাড়াসহ কয়েকটি বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় নামে মাত্র কাজ দেখিয়ে ভূয়া ভাউচারের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে বেশির ভাগ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রধান শিক্ষক জানান অফিস ম্যানেজসহ সব কাজের দায়িত্ব ছিল চরখরখরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমানের উপর। কিন্তু এব্যাপারে কোন সঠিক উত্তর দেন নি মজিবুর রহমান। এছাড়াও একটি সূত্র জানায় শিক্ষা অফিস স্কুল প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে বিল পাশ করেছেন। উপজেলা প্রকৈশলী নজরুল ইসলাম বলেন শিক্ষা অফিসার কাগজ পত্র নিয়ে এসেছিলেন আমি সই করেছি কিন্তু টাকা নেয়ার ব্যাপারটি নিয়ে এড়িয়ে যান। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলামের মুখোমুখি হলে কোন সঠিক উত্তর না দিয়েই সাংবাদিকের উপর চাড়াও হয়ে অফিস থেকে বেড়িয়ে যান।