সিসি নিউজ: তিস্তার উজানে ভারতে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারতের দৌমহনী থেকে বাংলাদেশের দিকে পানি ধেয়ে আসছে । বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৪০মিটার) প্রবাহিত হচ্ছে। ভারত থেকে বাংলাদেশে বিকাল ৫টার পর বন্যার পানি প্রবেশ শুরু করেছে। জেলা প্রশাসন তিস্তার বিভিন্ন চরে বসবাসরতদের নিরাপদে সরে আসার নির্দেশ প্রদান করেছে। ভারতে দৌমহনী পয়েন্টে দুপুর ১২টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ৮৫ দশমিক ৯৫ মিটার) উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সেখানে রেড এলার্ট জারি করা হয়।
তিস্তার চরাঞ্চলের ২৫টি গ্রামের বসবাসরতদের ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সতর্ক ও নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছে। ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের বসবাসরত ও তিস্তার পাড়ের বসবাসরতদের সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার কাজ শুরু করা হয়েছিল।
নীলফামারীর জেলা প্রশাসক জাকীর হোসেন বলেন, তিস্তার উজানের রেড এলার্ডের কারনে সকল জনপ্রতিনিধি তিস্তায় বসবাসরতদের নিরাপদে সরিয়ে আনার কাজ শুরু করা হয়েছিল। সরকারী কর্মকর্তাদের পাশাপাশি, বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তা, স্বেচ্ছাসেবি প্রতিষ্ঠানকে তিস্তার পাড়ের দুর্গতদের সহায়তা করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছিল এবং সরকাররের উচ্চ পর্যায়ে সংবাদ পৌছে দেয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিস্তার উজানে রেড এলার্ড জারি করায় সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের তিস্তা ব্যারেজে অবস্থান নেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, তিস্তার উজানে দৌমহনী পয়েন্টে তিস্তার পানি ৮৬ দশমিক ৪৭ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। যা বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার উপরে। এখন (সন্ধ্যা ৭টা) ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।