ঢাকা: দেশের কারিগরি শিক্ষায় যা শেখানো হচ্ছে তা মানসম্মত নয়। এ জন্য শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক (২০১৬-২০) দলিলের খাতভিত্তিক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তেব্য তিনি এসব কথা বলেন।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে মোট ছাত্র-ছাত্রীর একভাগ কারিগরি শিক্ষায় পড়াশুনা করতো। এখন তা ৮ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য ২০২০ সালের মধ্যে তা ২০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া।’
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত অভিমত, মোট শিক্ষার্থীর ৫০ শতাংশ বৃত্তিমূলক শিক্ষায় আনা গেলে দেশে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন হবে। তবে কারিগরি শিক্ষায় যা পড়ানো হচ্ছে তা এখনও মানসম্মত নয়। এজন্যে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো দরকার।’
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশে কারিগরি শিক্ষার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। অনেক যুদ্ধ করে এ পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে। তবে সঠিক তথ্য পাওয়া অনেক কঠিন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শিল্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা চালু করছি। সেই সঙ্গে কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছি।’
নাহিদ বলেন, ‘দেশে শিক্ষার মানের অনেক উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে আঞ্চলিক পর্যায়ে ৫৩ শতাংশ মেয়ে পড়াশুনা করছে। এটাও আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন।’
পরামর্শ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন- অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেক ওসমান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. ফরাস উদ্দিন প্রমুখ।