স্বাস্থ্য ডেস্ক: কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই মাদকাসক্ত ও পেশাদার দাতার রক্ত সংগ্রহ করছিল রাজধানীর শ্যামলী এলাকায় ফেমাস জেনারেল হাসপাতাল এ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ও বাংলাদেশ ব্লাড ব্যাংক। শুধু তাই নয়, স্যালাইন মিশিয়ে এক ব্যাগ রক্তকে দুই ব্যাগ বানিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল রোগীর স্বজনদের কাছে।
র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত বুধবার দুপুরে প্রতিষ্ঠান দুটিতে অভিযান চালিয়ে ভেজাল ও অপরীক্ষিত রক্ত জব্দ করেছে। পাশাপাশি দুই লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে তাদের।
র্যাবের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিচালক মেজর রুম্মান মাহমুদ দ্য রিপোর্টকে জানান, বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ডা. স্বপন কুমার তপদার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সমন্বয়ে র্যাব-২ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্লাড সংরক্ষণ করার জন্য ব্লাড প্রিজারভিশন রেফ্রিজারেটর ব্যবহার আবশ্যক, যার তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা হয়। অথচ প্রতিষ্ঠানগুলো ঘরের কাজে ব্যবহৃত সাধারণ ফ্রিজে রক্ত সংরক্ষণ করে আসছিল।’
মেজর রুম্মান বলেন, ‘এ ছাড়াও ব্লাড ক্রস ম্যাচিং না করা, ব্লাড ব্যাগে সোর্স ও ডোনারের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকার অপরাধে নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন আইন ২০০২-এর ২০ ধারা মোতাবেক ফেমাস জেনারেল হাসপাতাল এ্যান্ড ডায়াগনস্টিককে ৬০ হাজার টাকা এবং একই আইনের ২০/২৩/২৪ ধারা মোতাবেক বাংলাদেশ ব্লাড ব্যাংককে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।’