সিসি ডেস্ক: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আরও পরিবর্তন আসবে। দল ও সরকারকে নতুন করে ঢেলে সাজাবেন দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রিসভায় রাখা হবে না অদক্ষ ও বিতর্কিত কাউকেই। পরিবর্তন আসতে পারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে। এমনকি বিতর্কে জড়ানো অদক্ষ আমলাদের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব কঠোর।
জানা গেছে, মন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের গত দেড় বছরের কার্যক্রমের ফাইল প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে আছে। কঠোর মনোভাব নিয়েই মূল্যায়নের খাতা পরীক্ষা করছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়া মন্ত্রীদের তিনটি ভাগে চিহ্নিতও করা হয়েছে। প্রথমত, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এরপরের ভাগে আছেন অদক্ষরা। তারপর অতিকথনে সরকারকে বিব্রত করাদের রাখা হয়েছে। মন্ত্রীদের বাইরে আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাদের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী খোঁজখবর নিয়েছেন। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটিতে থাকাদের মধ্যে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত তাদের আগামী কাউন্সিলেই বাদ দেওয়া হবে। একই সিদ্ধান্ত ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ প্রত্যেক অঙ্গসংগঠনের ক্ষেত্রেও। ব্যবসা-বাণিজ্য ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই রাখা হবে না দলের পদে। মাঠপর্যায়ে টেন্ডার ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জড়িতরা শুধু দলীয় পদই হারাবেন না, তাদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা হবে আরও কঠোর। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে কঠোরভাবে সব কিছু দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। বলেছেন, সন্ত্রাস, দখল ও চাঁদাবাজিতে জড়িতদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করতে।