• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পোল্ট্রি ও মৎস্য শিল্পের ওপর কর নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন

3814সিসি ডেস্ক: পোল্ট্রি ও মৎস্য শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের অর্জিত আয়ের ওপর কর নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। এত দিন ওই খাতগুলো করমুক্ত সুবিধা ভোগ করে আসছিল।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ৪৪ এর উপধারায় (৪) প্রদত্ত ক্ষমতায় রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান সাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপন ইস্যু করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে পোল্ট্রি, গবাদি পশু ও মৎস্য জাতীয় প্রতিষ্ঠানের অর্জিত আয়ের ওপর তিন স্তরে ৩ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত আয়কর নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআর সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

অথচ প্রজ্ঞাপনে কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মানা হয়নি। জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনীতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রস্তাব উপেক্ষা করে বাজেট প্রস্তাবনায় ঘোষিত হারে ওই শিল্পগুলোর ওপর করারোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যা চলতি মাসের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

চলতি বছরের ২৯ জুন বাজেট সমাপনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পোল্ট্রি ও মৎস্য শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

সংসদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী এই শিল্পগুলোর আয় থেকে কর কাটার প্রস্তাব করেছেন। কিন্তু এই শিল্পগুলো দেশে আমিষের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই আমি অনুরোধ করব, এ শিল্পগুলোর সঙ্গে জড়িতের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়কে করমুক্ত রাখা হয়।’ এরপর ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়ের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তবে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে তিন স্তরে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে সবগুলো স্তরেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে পোল্ট্রি ফিড উৎপাদন, গবাদি পশু, চিংড়ি ও মাছ, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের খামার, বীজ উপাদন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বীজ বিপণন, ব্যাঙ উৎপাদন খামার, উদ্যান খামার প্রকল্প, মৌমাছির চাষ প্রকল্প, রেশম গুটি পোকা পালনের খামার, ছত্রাক উৎপাদন খামার এবং ফুল ও লতাপাতার চাষ হতে অর্জিত আয়ের ওপর কর নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত শিল্পসমূহে তিন স্তরে কর নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম স্তরে ১০ লাখ টাকার আয়ের ওপর উপর ৩ শতাংশ হারে করারোপ করা হয়েছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ কর মওকুফের সুপারিশ করেছিলেন। এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে দ্বিতীয় স্তরে পরবর্তী ২০ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১০ শতাংশ এবং তৃতীয় স্তরে ২০ লাখ টাকার বেশি আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ হারে করারোপ করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো স্তরেই প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনাই মানা হয়নি।

এর আগে ৪ জুলাই প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ সকল শিল্পে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় থেকে ৩ শতাংশ, ১০ থেকে ২০ লাখ টাকায় ১০ শতাংশ এবং ২০ লাখ টাকার ওপরের আয় থেকে ১৫ শতাংশ হারে করারোপ করার প্রস্তাব করেছিলেন। অবশেষে তাই কার্য্কর হলো।

রাইজিংবিডি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ