• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

এ কেমন বর্বরতা!

Habiganj1441288129

hobi

সিসি ডেস্ক: সমাজে প্রায়ই ন্যাক্কারজনক ও বর্বর ঘটনা ঘটছে। অনেক সময় এসব ঘটনার হেতু খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার এ ধরনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করা হচ্ছে।

সম্প্রতি এক স্কুলছাত্রীকে প্রকাশ্যে একটি ছেলে ব্যাপক মারধর করে এবং সে ঘটনার ছবি আবার ফেসবুকে আপলোড করা হয়, যা খুবই বিস্ময়কর ব্যাপার। ফেসবুকে বর্বর সে দৃশ্য দেখে অনেকেই হতবাক হয়ে যান।

বৃহস্পতিবার ফেসবুকে রানা আহমেদ নামে একজনের আপলোড করা সেই ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলড্রেস পড়া কয়েকজন ছাত্রী রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সাদা স্কুলড্রেস পড়া কয়েকটি ছেলেও দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তার অপরদিকে এ সময় দুটি ছেলে এসে দুই ছাত্রীর সামনে দাঁড়ায়। এরপর শার্ট-প্যান্ট পড়া একটি ছেলে একটি মেয়েকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলতে থাকে। মেয়েটি ভয়ে একটু দূরে সরে যায়।

এরপর ওই ছেলেটি মেয়েটিকে ঘিরে ধরে এবং

দুই হাত দিয়ে সমানে চরথাপ্পর মারতে থাকে আর বলতে থাকে, তোর হাত দুটো কেটে ঝুলিয়ে রাখবো। এরপর ছেলেটি চলে যায়। তবে কেন ওই ছেলেটি ছাত্রীটিকে এভাবে মারলো তা মারার সময় বলেনি।

রানা আহমেদ নামে ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করা ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন তিনি নিজেই। লিখেছেন, ‘আমি লজ্জানত হয়ে বাবা-মায়ের এবং হবিগঞ্জে সমাজের ভাই-বোন ও পুলিশ সুপারে কাছে বলব দয়া করে বিষয়টিতে একটু চোখ দিবেন।’ আপলোড করা এই ভিডিওটি ১১ হাজারেরও বেশি লোক এরই মধ্যে দেখেছে।

রানা আহমেদের ভাষায় বোঝা যায়, এই ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জ শহরের কোনো একটি স্কুলের পাশের রাস্তায়। তবে এটি কোন রাস্তা এবং ওই ছাত্রী কোন স্কুলের তা লেখা হয়নি। এছাড়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে ছেলেটির সম্পর্ক কী তাও স্পষ্ট করা হয়নি পোস্ট করা লেখায়।

এ প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশের জানা নেই। কেউ অভিযোগ করেছে এমনটাও কানে আসেনি। তবে ভিডিওর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ