• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পাওনা আদায়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছে ঢাকা

136991_1ঢাকা: পাকিস্তানের কাছ থেকে পাওনা আদায়ে বাংলাদেশ এবার আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা।

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের চরম অবনতির মধ্যে এ খবর এলো। যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে সম্প্রতি দুটো দেশের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দৈনিক আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এত দিনে পাকিস্তান বাংলাদেশকে দিয়েছে একটি মাত্র পুরোন বোয়িং বিমান। যার আয়ু ছিল সীমাবদ্ধ। পাওনা নিয়ে কথা বলতে গেলেই কানে তুলো গুঁজছে পাকিস্তান। আবার পাওনার কথা অস্বীকারও করছে না। বাংলাদেশের সামনে এখন একটি পথই খোলা। তারা সেই রাস্তাতেই হাঁটতে চাইছে। এবার আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে আটকে থাকা পাকিস্তানিদের ফিরিয়ে নেওয়ার কথাও ভাবছে না পাকিস্তান। আরো সমস্যা হচ্ছে, বাংলাদেশের পাওনা টাকা দিচ্ছে না তারা। বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান সরকারের প্ল্যানিং কমিশন ১৯৭৪ সালে ২৪৪৬ কোটি টাকা পাওনা দাবি করে পাকিস্তানের কাছে। ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের আগে পাকিস্তানের সম্পত্তি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সম্পদের পরিমাণ হিসেব করে টাকাটা চাওয়া হয়। বর্তমান বিশ্ববাজারে যার মূল্য আরও অনেক বেশি।’

আনন্দবাজারের মন্তব্য, পাওনা আদায়ে ‘আমেরিকা বাংলাদেশের পাশে থাকলে সুবিধে হত। আমেরিকা সব জেনেও চুপ করে আছে। হাসিনা সরকারের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আপাতত ভাল হলেও, আমেরিকা বাংলাদেশের হয়ে পাকিস্তানকে চাপ দিতে নারাজ। (যুক্তরাষ্ট্র)বাংলাদেশ-পাকিস্তান দু’টি দেশকেই হাতে রাখতে আগ্রহী।’

পত্রিকাটির ভাষ্য, ভারত চাইলে এ ব্যাপারে কিছুটা করতে পারত। সেটাও হবে না। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক বিভিন্ন জটিল পথ পরিক্রমা করছে। দুই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নওয়াজ শরিফ সদ্ভাব রক্ষা করে চললেও, পাকিস্তানের রাজনৈতিক শক্তি ভারতের মতো শক্ত জায়গায় নেই। শরীফের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। তিনি চাইলেও সবকিছু করতে পারেন না। বাধা থাকে। প্রতিকূলতায় সাঁতরাতে গিয়ে বিরুদ্ধ ঢেউয়ে বাধা আটকাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ