• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার পাকিস্তানী কিশোরী

সিসি ডেস্ক, ১৯ এপ্রিল।। ভিসা নিয়ে মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক পাকিস্তানি কিশোরী। ধর্ষিতার নাম হুমেরা বাবু (১৭)। তিনি করাচীর সরকারি এক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। পাকিস্তানের নিউ করাচীর সুপার হাইওয়েজ রোড় এর হুমায়ুন কবীর ও নীলুফার বেগম এর মেয়ে তিনি।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, উপজেলার উত্তর গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবীর আনুমানিক পঁচিশ বছর আগে পাকিস্তানের নিউ করাচীতে গিয়ে থিতু হন। সেখানে পাকিস্তানি নাগরিক নীলুফার বেগমকে বিয়ে করে গামের্ন্টস ব্যবসা শুরু করেন। পাঁচ মাস আগে পাকিস্তানী নাগরিক নীলুফার বেগম ছয় মাসের ভিসায় কন্যা হুমেরাকে সঙ্গে নিয়ে স্বামীর বাড়ি বেড়াতে আসেন। ওঠেন উত্তর গোপালপুর গ্রামের ভাসুর আব্দুল ওয়াদুদের বাড়িতে। সেখানে ওঠার পর থেকেই আরেক ভাসুর আবুল হোসেনের পুত্র আল আমিন কিশোরী হুমেরাকে উত্যক্ত করতে থাকে। বেশ কবার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ ঘটনায় পারিবারিকভাবে বিষয়টি ফয়সালার চেষ্টা হয়।

এদিকে, ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় মা-মেয়ের পাকিস্তানে ফেরত যাবার খবর শুনে বখাটে আল আমীন ক্ষুব্ধ হয়। গত মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাতে একদল সন্ত্রাসীর সহযোগিতায় হুমেরাকে কাকার বাড়ি থেকে কৌশলে অপহরণ করে। পরে তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে।গত বুধবার (১৭ এপ্রিল) আল আমিনসহ তিনজনকে আসামি করে নীলুফার বেগম গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

গোপালপুর থানা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর রাতে জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার মহিষাকান্দি মোড়ের এক বাসা থেকে বন্দীবস্থায় ধর্ষিতা হুমেরাকে উদ্ধার করেন।

ধর্ষিতার মাতা নীলুফার বেগম জানান, হুমেরা নিউ করাচীর সরকারি সাদিকাটুল হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। তিনি ও তার মেয়ে বাংলা ঠিকমতো বলতে পারেন না। বাবার দেশ সখ করে দেখতে এসে নিজের পরিজনের হাতেই সর্বনাশের শিকার হলো তার কিশোরী কন্যা। নির্যাতনে হুমায়রা মুষড়ে পড়েছেন বলে জানান তিনি। তিনি এর কঠিন শাস্তি দাবি করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আসলাম হোসেন জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ধর্ষিতা বাংলা বলতে না পারায় এবং দোভাষী না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার আদালতে ধর্ষিতার ২২ ধারায় জবানবন্দী নেওয়া যায়নি। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ