• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ঘুষ নিয়ে সরকারি জমি লিখে দিলেন গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ

সিসি নিউজ, ২১ জুন ।। ১৭ দিনের ব্যবধানে সরকারের গেজেটভুক্ত প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের সাত কাঠা জমি জনৈক মিজানুর রহমানের নামে লিখে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। আর এ কাজে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান রাশিদুল ইসলাম ২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন অভিযোগ করেছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর। ঘটনার পর স্বপরিবারে বিদেশ চলে গেছেন মিজান। গণপূর্তমন্ত্রী জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণ হলে জড়িত সবার বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা
রাজধানীর মিরপুরের সেকশন ১০-এর বি ব্লকের ৯-এর এ প্লটে কাজ চলছে জোরেশোরে। নির্মাণ প্রতিষ্ঠান হাইপেরিয়ান বিল্ডার্স জানিয়েছে, রাজউকের কাছ থেকে নকশার অনুমোদন নিয়েই কাজ করছে তারা।
তবে নথি বলছে, এটি সরকারের পরিত্যাক্ত সম্পত্তি। সরকারের ক-তালিকাভুক্ত সম্পত্তির অংশ। ১৯৮৬ সালে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে বিষয়টি।
জনৈক মিজানুর রহমানের আবেদনে, ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বরে এই জমি হস্তান্তর, নামজারি ও পুনঃনির্মাণের অনুমতি বাতিল কোরে, ক-তালিকাভুক্ত বলে জানায় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। একই দিন জারি করে দখলদারকে উচ্ছেদের নোটিশও। সেদিনই আরেক চিঠিতে ভেস্টেট প্রপার্টি বোর্ডকে এ জমি বুঝে নিতে বলে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ।
কিন্তু এর ১৭ দিনের মাথায়, ৩ জানুয়ারি আগের সব চিঠি বাতিল করে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট সব বিভাগে নতুন করে পাঠানো হয় চিঠি। দখল নিতে নিষেধ করা হয় ভেস্টেট প্রপার্টি বোর্ডকে। রাজউককে বলা হয় নির্মাণ অনুমোদনপত্র বাতিলের চিঠি প্রত্যাহার করে নিতে।
শুরুতে এই জমি নিয়ে দুর্নীতির তথ্য গৃহায়ন চেয়ারম্যানের রেজিস্টার ফাইলের নোটে থাকলেও, পরে তা বাতিল করা হয়েছে। আর এর মালিক হিসেবে মিজানুর রহমানকে স্বীকৃতি দিয়েছেন চেয়ারম্যান নিজেই।
এনিয়ে কথা বলতে চাইলেও অস্বীকৃতি জানান তিনি। আর মিজানুরের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, বুধবার রাতে দেশের বাইরে চলে গেছেন তিনি।
এদিকে এই জমি বরাদ্দে দুর্নীতি হয়েছে এবং গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ এনে, মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর। করা হয়েছে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ।
গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানায়, সরকারি কোন জমি দিতে গেলে সরকারি পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হতে হবে। কোন দপ্তর বা সংস্থা এ জাতীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উৎস: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ