
দিনাজপুর প্রতিনিধি ।। করোনার সময় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ফল খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন কমবেশি সবাই। রমজানের বাড়তি ফলের চাহিদা যোগ হয়েছে। ইফতারের তালিকায় সবাই ফল রাখছেন। চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে সবধরনের ফলের দাম।
ফল ব্যবসায়ী বাবুল হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় এবং লকডাউনে গাড়ি বন্ধ থাকায় সব ধরনের ফল এর দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পাইকারি বাজারে বেড়েছে।
দিনাজপুর বাহাদুর বাজারের ফল ব্যবসায়ী দুলাল বলেন বলেন, ‘আমদানি নেই বলে ফলের দাম বেশি। আমাদের আগে থেকে মজুদ ছিল বলে এই দামে দিচ্ছি।
তিনি বলেন , গত সপ্তাহে যে আপেল বিক্রি করেছেন ১৩০ টাকা কেজি। এখন বিক্রি করছেন ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা দরে। মাল্টার কেজি ১৮০ টাকা, গত সপ্তাহে ছিল ১৬০ টাকা। পেঁপে ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছিল, এখন ৯০ থেকে ১০০ টাকা। কমলা,বেদেনা দাম একই থাকলেও বেড়েছে পেয়ারা,আপেল,আঙ্গুর ও আনারসহ ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত ।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, আঙ্গুরের কেজি ২৮০ টাকা, গত সপ্তাহে ছ ছিল ২০০ টাকা। ৩০ টাকার পেয়ারা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তরমুজে কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে এ সপ্তাহের বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে । প্রতিটি কলার দাম ৫ থেকে ৮ টাকায় তা হালি প্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
রমজানে খেজুরের চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেড়েছে খেজুরে। মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজিতে। আজুয়া খেজুর ১হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। খোলা সাধারন খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত।
ফল কিনতে আসা আব্দুর রশিদ বলেন, ইফতারির জন্য খেজুর কিনতে এসেছিলাম। ভালো মানের খেজুরের দাম একটু বেশি হলেও সাধারণ খেজুর দাম সাধ্যের মধ্যেই।