সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের ধরে প্রতিদ্বন্দ্বি এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ তার দলবল ওই প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর বাড়িতে চড়াও হয়ে ওই চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ তার পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার খোর্দ্দ বোতলাগাড়ী গ্রামে প্রতিদ্বন্দ্বি চেয়ারম্যান প্রার্থী মোন্নাফ আলী সরকার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান জুনের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ ডিসেম্বর সৈয়দপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত বোতলাগাড়ী ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনিসহ প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান জুন। বিজয়ী এই ইউপি চেয়ারম্যান শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারী দলবল নিয়ে বাড়ি ঢুকে আমাকে খোঁজাখুজি করতে থাকেন। সে সময় আমি চিকিৎসার জন্য রংপুরে অবস্থান করছিলাম। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে থাকা দলবল ফেসবুক লাইভে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযান চলছে প্রচার চালায়। একপর্যায়ে তারা পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এর অন্যথা হলে এমন আরও অভিযান চলবে বলে হুমকি প্রদর্শন করা হয়।
এ ঘটনার পর থেকে তিনিসহ তার পরিবারের সদস্যরা বিজয়ী ইউপি চেয়ারম্যানের রোষের শিকার হয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ অবস্থায় তিনিসহ তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মোন্নাফ আলী সরকারের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান জুন জানান, ইউনিয়ন থেকে মাদক নির্মূল করার লক্ষ্যে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবিদের নিরুৎসায়ী করতে আমি এধরনের অভিযান পরিচালনা করেছি। পাশাপাশি মাদকের কুফল সম্পর্কে জনগণকে সচেতনতা সৃষ্টি করছি।
তিনি জানান, পরাজিত ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীর পরিবারের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়টি বানোয়াট ও সাজানো অভিযোগ। এছাড়া ইউনিয়নবাসীকে জানানোর জন্যই ফেসবুক লাইভ করা হয়েছে।