• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

নদী থেকে বস্তাবন্দী ছাত্রীকে জীবিত উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।। ঠাকুরগাঁও শহরের টাঙ্গন নদীর ব্রিজের নিচ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দী এক মাদ্রাসার ছাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের টাঙ্গন নদীর জোড়া সেতুর নিচ থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে ওই ছাত্রী ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘আমাদের বাড়ির সাবেক ভাড়াটে গুলজান বেগম তার অন্তরঙ্গ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছে মাদ্রাসার মেয়ে চায়। এতে রাজি হয়নি। আমি লেখাপড়া শেষ করে মাদ্রাসার ছাত্রীনিবাসে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত ৩টার দিকে ঘরের বাইরে থেকে আমাকে কে বা কারা ডাক দেয়। আমি ঘুম থেকে জেগে ঘরের জানালার কাছে গিয়ে দেখি কয়েকজন যুবক আমার ছবি দেখায়। আমি ছবিগুলো নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা শক্তি প্রয়োগ করে আমাকে ঘরের বেড়া ভেঙে টেনে বের করে। সন্ত্রাসীরা তাৎক্ষণিকভাবে আমার মুখে ওড়না পেঁচিয়ে ধরে। পরে হাত-পা বেঁধে বস্তায় ভরে। এরপর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।’

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, জীবিত উদ্ধার কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাকে হত্যা করার উদ্দেশে অজ্ঞান করে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে কিনা এবং অন্য কোনো ঘটনা আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, মেয়েটির কাপড় রাখা ট্রাংক থেকে বেশ কিছু প্রেম পত্র পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন পরিদর্শন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ