• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে উচ্চ আদালতের রায়ের পরও জমির মালিকানা না পাওয়ার অভিযোগ

সিসি নিউজ ।। উচ্চ আদলাতের রায়ের পরও নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাড়ি নির্মাণের জন্য জমির মালিকানা বুঝে পাচ্ছেন না মো. গোলাম মোস্তফা (৭০) নামে এক ক্রেতা। আদালতের রায়কে গোপন করে একই বিষয়ে আবারও মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে তাঁকে। ক্রয়কৃত জমির দখল বুঝে পেতে ২৯ বছর ধরে মামলা চালাতে গিয়ে নিঃস্ব ও সর্বশান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই ক্রেতা। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় এক রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তেব্য মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, সৈয়দপুর শহরের চাঁদনগর এলাকার একই দাগের ১০ শতক পরিত্যাক্ত জমি ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট অধ্যাদেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার অধিগ্রহণ করে। পরে সরকারের পক্ষে তৎকালিন নীলফামারী জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নির্ধারিত মূল্য পরিশোধের সাপেক্ষে জমিটি অ্যাড. মজিবর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রি করে দেন। অ্যাড. মজিবর রহমানের কাছ থেকে ১৯৯৩ সালে ওই জমি কেনার উদ্দেশ্যে আমি বায়না নামা চুক্তি করি। কিন্তু চুক্তির শর্তভঙ্গ করে তিনি ১০ শতকের মধ্যে ৫ শতক জমি তাঁর স্ত্রী মেহের নেগারকে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেন। নিরুপায় হয়ে আমি নীলফামারী সাব জজ আদালতে ১৯৯৫ সালে একটি মামলা দায়ের করি। একই সালে আদালত আমার পক্ষে রায় দেন। এ রায়ের বিপক্ষে বিবাদী মজিবর রহমান উচ্চ আদলাতে আপিল করনে। আপিল বিভাগ নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে উচ্চ আদালতের আদেশের ভিত্তিতে নীলফামারী জেলা যুগ্ম আদালত নালিশি জমিটি আমাকে রেজিস্ট্রি দলিল করে দেন। অ্যাড. মজিবর রহমানে মৃত্যুর পর তাঁর ওয়ারিশগণ নামে বেনামে পক্ষভুক্তি হয়ে আদালতে বিভিন্ন সিভিল রিভিশন মামলা দায়ের করে। উচ্চ আদালত বিবাদির সিভিল রিভিশনও খারিজ করে দেন। কিন্তু মজিবরের ছেলে আলমগীর কবীর সাজু কৌশল করে নওশাদ আলী নামে এক ব্যাক্তিকে পক্ষভুক্তি করে আদালতে আরেকটি মামলা করেন। উচ্চ আদালতের  রায়কে গোপণ রেখে আমার ও আমার কৌসলীর অজান্তে নওশাদ আলী নামে ওই ব্যাক্তির মামলায় ডিক্রি জারি আগের মামলার রায় কার্যক্রম স্থগিত করে দেন আদালত। অথচ মূল মামলায় নওশাদ আলী ছিলেন না।
গোলাম মোস্তফা বলেন, এখন আমি বয়সের ভারে নুব্জ। টাকা দিয়ে জমি কিনে দীর্ঘদিন ধরে মামলা চালাতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়েছি। আর কয়দিন বা বাঁচব। জানি না জীবদ্দশায় এ জমিটি আমার পাওয়া হবে কি না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মামলার বিষয় প্রধান বিচারপতির সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এবিষয়ে মজিবর রহমানের ছেলে আলমগীর কবীর সাজু জানান, গোলাম মোস্তাফার করা মামলাটি উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ