• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন |

নীলফামারীতে বিএনপি-আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার অভিযোগ

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে একইদিনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মসূচি দুপুর পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হলেও বিকালে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকলে জেলা সদরের কচুকাটা ইউনিয়নে একই সঙ্গে দুই দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ওই ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পৃথক স্থানে সমাবেশ করে উভয় দল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকাল ৫টার দিকে কচুকাটা ইউনিয়নের দুহুলী বাজারে সমবেত হয় বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। অপরদিকে কচুকাটা বাজারে সমবেত হয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে দুহুলী বাজার থেকে পদযাত্রা নিয়ে রওনা হয় কচুকাটা বাজার অভিমুখে।

অপরদিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. তসলিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হকের নেতৃত্বে কচুকাটা বাজার থেকে দুহুলী বাজার অভিমুখে র‌্যালী নিয়ে রওনা হন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পথে ইটভাটা মোড় নামক স্থানে দুই পক্ষ মুখোমুখি হতেই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। দ্রুত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে বিএনপি দুহুলী বাজারে এবং আওয়ামী লীগ কচুকাটা বাচারে ফিরে সমাবেশ করে।

ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব ঘোষিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা দুহুলী বাজার থেকে কচুকাটা পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করি। কিন্তু আওয়ামী লীগের বাধার কারণে আমরা অর্ধেক রাস্তা থেকে ফিরে দুহুলী বাজারে সমাবেশ করি।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল আলম বলেন,‘সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমাদের ইউনিয়নে ইউনিয়নে পদযাত্রা ও পথসভা পুলিশের বাধার মুখে হয়েছে। বিকালে জেলা সদরের কচুকাটা, ইটাখোলা ও চাপড়াসরমজামী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বাধার মুখে পড়েছে। তারা ইটাখোলায় আমাদের ব্যানার পুড়ে দিয়েছে। চাপড়ায় এবং কচুকাটায় আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।’

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াদুদ রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে আমাদের বিভিন্ন ইউনিয়নে ‘শান্তি সমাবেশ’ হয়েছে। নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। বিকালে ইটাখোলা ইউনিয়নে বিএনপির নেতা-কর্মীরা দোকান ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে স্থানীয় লোকজন ও আমাদের নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেন।’

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউপ বলেন, ‘বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়নি। তারা যাতে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্ঠি না করেন সে ব্যাপারে তাদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছিল।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ