সিসি নিউজ।। কন্ঠশিল্পী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বেবী নাজনীন বলেন, ‘আমি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। এখন সৈয়দপুর কিশোরগঞ্জের উন্নয়নই হচ্ছে আমার প্রথম লক্ষ্য কারন এখানে যারা বসবাস করা তারা সবাই আমার পরিবারে মতই। শনিবার (৩০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় নিজ শহর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেমেই তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় জন্মভূমি সৈয়দপুরের মাটিতে পা রেখেই আবেগ আপ্লতত হয়ে পড়েন তিনি। সৈয়দপুর বিমানবন্দর ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে বেরিয়ে এলে বাইরে অবস্থানরত বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতা-কর্মী ও দর্শনার্থীরা তাঝকে স্বাগত জানান। অনেকেই তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করেন। বেবী নাজনীন হাত নেড়ে সকল সংবর্ধণার জবাব দেন। পরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেশ আমাদের সকলের তাই আমি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী করি না। দেশের প্রতি প্রতি ভালবাসা নিয়ে আমি নিজ শহর সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই। তিনি আরও বলেন, রাজনীতি নিয়ে আমার কোনো ক্ষোভ নেই। বিএনপির কথা উল্লেখ না করে তিনি বলেন, দলের সাথে ছিলাম, দলের সাথে আছি। অসংখ্য তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ নতুন স্বাধীনতা পেয়েছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমি আমার সাধ্যমতো ছাত্র-জনতার পাশে থাকবো।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের কথা স্মরণ করে বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া আমাদের অঙ্গীকার। আমার জন্মভূমির জন্য কিছু করতে চাই। আমি সৈয়দপুরে এসেছি, আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া চাইতে। ছাত্র-জনতার অভ্যুথানে শাহাদাত বরণকারী শহীদদের দোয়া চাই। পরে তিনি স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ সাজ্জাদ হোসেনের বাঙ্গালীপুরের বাসায় যান এবং কিছু সময় কাটান।
এসময় বিএনপি সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা শাখার সহ-সভাপতি অ্যাড. ওবায়দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ পারভেজ লিটন, জেলা যুবদলের আহবায়ক তারিক আজিজসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা সাথে ছিলেন।