• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে স্কুল ফিডিংয়ে শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হলো পচা ডিম

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পচা ডিম, নিম্ন মানের কলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে । এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পচা ডিম দেওয়া কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরআগে গত বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয়ে পচা ডিম সরবরাহ করা হয়।

জানা যায়, শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে সরকারের উদ্যোগে স্কুল ফিডিং প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৭৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ হাজার ৩শত ৩৪ জন শিক্ষার্থী এ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করছে।

অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুধু পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নয়, উপজেলার আরও কয়েকটি বিদ্যালয়েও একই ধরনের নিম্নমানের ও পচা খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। তবে একাধিকবার শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানালেও তিনি কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি।

মনোয়ার হোসেন নামে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের খাবারের সঙ্গে এমন পচা নিম্নামানের খাবার দিলে তাদের শরীর অসুস্থ হবে। যেখানে সরকার তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করণে প্রকল্পে নিয়েছে সেখানে পচা খাবার দেওয়া হচ্ছে।

আরেক অভিভাবক সালমা বেগম বলেন, সন্তানদের এমন পচা খাবার দেওয়া হচ্ছে, এসব না দেওয়া ভালো। আমাদের শিশুরা এসব খাবার খেলে অসুস্থ হয়ে যাবে।

এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পুষনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে আসা ডিম তাদের দেওয়া হয়েছিল। পরে তারা খাবার সময়ে দেখে অনেক ডিম পচা। পচা ডিম শিক্ষার্থীদের খেলে অসুস্থ হবে আর পচা ডিম খাওয়ার যোগ্য না এজন্য সেগুলো ফেরত নেওয়া হয়েছে। পরে বিষয়টি খাবার যারা সরবরাহ করে তাদের জানা হয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, পচা ডিম দেওয়া গুরুতর অপরাধ। আপনি এব্যাপারে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ