• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

৭ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, হচ্ছে না কুড়িগ্রাম-৪

Election Picডেস্ক রিপোর্ট: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত ৭ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সাত আসনে ৩৯০টি কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে পুনভোট গ্রহণ শুরু হয়। তবে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের দুই কেন্দ্রে আদালতের নির্দেশের কারণে ভোট হচ্ছে না। বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ সব কেন্দ্রে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ চলবে।

৫ জানুয়ারি বিএনপিসহ ১৮ দলের ভোট প্রতিহতের ঘোষণার মধ্যে হামলা ও নাশকতায় এ সব জেলার ৩৯২ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে ইসি। সহিংসতা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের কারণে দিনাজপুর-৪, কুড়িগ্রাম-৪, বগুড়া-৭, গাইবান্ধা ১, ৩, ৪, যশোর-৫ ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ৯৫৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৯২ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।

পুনঃভোটের তথ্য : দিনাজপুর-৪ আসনের ১২০টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত হয় ৫৭টি। স্থগিত কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৯। বাকি কেন্দ্রগুলোয় আওয়ামী লীগের আবুল হাসান মাহমুদ আলী ৬৮ হাজার ৮৮টি, ওয়ার্কার্স পার্টির এনামুল হক সরকার ১ হাজার ৩৮০ ভোট পান।

গাইবান্ধার তিন আসনে পুনঃভোট চলছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনজুরুল ইসলাম লিটন ইতোমধ্যে ৬৮ হাজার ৯৯৩ ভোট ও জাতীয় পার্টির আব্দুল কাদের খান ৮ হাজার ৩৮৬ ভোট নিয়ে লড়বেন গাইবান্ধা-১ আসনে। এখানকার ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত ৫৪ কেন্দ্রে ভোট রয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২০৯টি।

গাইবান্ধা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের ইউনুস আলী সরকার ৭০ হাজার ৬৬৪ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম খাদেমুল খুদি ১২ হাজার ৭৮১ ভোট পেয়েছেন ৫০টি কেন্দ্রে। স্থগিত ৮০টি কেন্দ্রে ভোট রয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৬২৭টি।

গাইবান্ধা-৪ আসনের ১৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত রয়েছে ৭২টি। এতে ভোট রয়েছে ২ লাখ ৭৭টি। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ৫৯ হাজার ৮৬২ ও আওয়ামী লীগের মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ১৮ হাজার ৮০৬ ভোট নিয়ে লড়ছেন। জাতীয় পার্টির মুহম্মদ আলতাফ আলী ৭ হাজার ৪৩ ভোট ও জেপির এটিএম আমিনুল ইসলাম ৩ হাজার ১৭৫ ভোট নিয়ে লড়ছেন বগুড়া-৭ আসনে। এ আসনের ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৬টি কেন্দ্রে পুনভোট হচ্ছে। এতে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৬৫ ভোট রয়েছে।

যশোর-৫ আসনের ১২২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি কেন্দ্রে পুনঃভোট চলছে। এরমধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ২৯৬ ভোট রয়েছে। আওয়ামী লীগের খান টিপু সুলতান ৩০ হাজার ৫৩১ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বপন ভট্টচার্য ১৮ হাজার ৩৩১ ভোট পেয়েছেন ইতোমধ্যে। তরিকত ফেডারেশনের এম এ আউয়াল নৌকা প্রতীক নিয়ে
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে লড়ছেন। এ আসনের ৮১টি আসনের মধ্যে পুনভোটের ২১টি কেন্দ্রে ৫০ হাজার ২৭৯ ভোট রয়েছে।

আদালতের স্থগিতাদেশ

কুড়িগ্রাম-৪ আসনের ২টি কেন্দ্রের বৃহস্পতিবার ভোট স্থগিতাদেশ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা ইসিতে এসেছে। এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার ওই দুই কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে না বলে ইসি কর্মকর্তারা জানান। আওয়ামী লীগ প্রার্থী এ আসনের আরো কিছু কেন্দ্রে পুনঃভোট চায়। পরবর্তী নির্দেশনা পেলে ওই কেন্দ্রে ভোট হবে বলে জানান ইসি কর্মকর্তারা। কুড়িগ্রাম-৪ আসনের ১০৬ কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত ২ কেন্দ্রে ভোট রয়েছে ৭ হাজার ২৫৭টি। জেপির রুহুল আমিন ৩০ হাজার ৫৪৪ ভোট ও আওয়ামী লীগের জাকির হোসেন ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৮ ভোটের পার্থক্য ঘোচাতে ভোট হচ্ছে ২ কেন্দ্রে।

উপজেলায় সেনা টহল: ৭ টি সংসদীয় আসনের ৩৯২টি ভোটকেন্দ্রে পুনভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়োজিত রয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত স্ট্রাইকিং ফোর্স ১০টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছে। প্রতি পাঁচটি ভোটকেন্দ্রের জন্য একটি র‌্যাবের টিম ও প্রতিটি ১০টি ভোটকেন্দ্রের জন্য একটি বিজিবি টিম দায়িত্ব পালন করছে। সেনাবাহিনী নির্বাচনি এলাকার উপজেলাসমূহে অবস্থান করছে ও জেলা সদরে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করে রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে।

এক ভোটকেন্দ্রে ২০ অস্ত্রধারী পুলিশ : নির্বাচনে ২০ জন অস্ত্রধারী পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া লাঠিহাতে ১০ জন আনসারও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন।

নির্বাহী হাকিম নিয়োগ : পুনভোটগ্রহণের জন্য ৩০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ৮টি নির্বাচনি এলাকায় ৭ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন, আনসার, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ