মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ভাতিজার হাত ধরে চাচী উধাও হওয়ার ঘটনায় এলাকা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার পালানোর ১১ দিন পর সিলেটের বিয়ানীবাজারের জলঢুপ এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
থানা পুলিশসহ একাধিক সূত্র জানায়, প্রায় ৭ বছর আগে পৌর শহরের হাটবন্দ গ্রামের সৌদি প্রবাসী সমজিদ আলীর সঙ্গে জাকিয়া বেগমের বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ঘরে মাহিয়া ইসলাম জনি (৬) নামের এক কন্যাশিশু রয়েছে। স্বামী প্রবাসে থাকায় ভাসুর জমির আলীর ছেলে (ভাতিজা) রুবেল আহমদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন চাচী জাকিয়া বেগম। গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রেমিক রুবেল ও জাকিয়া ঘর থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ শিশু জনিকে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। এ সময় পরিবারের লোকজন দেখে ফেললে তখন জাকিয়া বেগম জানায় সে তার পিতার বাড়িতে যাচ্ছে।
পরে ওই দিন সন্ধ্যায় শিশু জনিকে বিয়ানীবাজার উপজেলার জলঢুপস্থ পিতার বাড়ির নিকটবর্তী রাস্তায় ফেলে যান জাকিয়া। শিশুটির কান্না শুনে এলাকাবাসী তাঁকে উদ্ধার করে নানা এখলাছ উদ্দিনের বাড়িতে নিয়ে যান। স্বামী-স্ত্রী না হয়েও রুবেল-জাকিয়ার একত্রে বসবাসের ঘটনা জানাজানি হলে প্রবাসে থাকা স্বামীকে বিষয়টি জানানো হয়। এদিকে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়ে অবশেষে জলঢুপ এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় গৃহবধূর ননদ রীনা বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বড়লেখা থানায় দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
বড়লেখা থানার উপ-পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান ঘটনা ও মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উভয় পরিবারের সম্মতিক্রমে তাদের আটক করা হয়েছে। বিকেলে এদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।