রংপুর: কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে পালানোর সময় তিনজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার স্থানীয় জনতা। অপহরণ কাজে ব্যবহৃত গাড়িটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অপহরণকারী তিনজনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার সকালে গঙ্গাচড়ার সাতআনী শেরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৮টায় কলেজছাত্রী ইতি (ছদ্মনাম) প্রাইভেট পড়তে বের হলে একদল অপহরণকারী তার পথরোধ করে জোর করে গাড়িতে তোলে। এ সময় ওই ছাত্রী চিৎকারের চেষ্টা করলে তার মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে গাড়িটি বেতগাড়ী গ্রামে বাজারের কাছে পৌঁছালে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের কারণে গাড়িটির গতিরোধ হয়। এসময় গাড়ির ভিতর থেকে ইতি হাত উচিয়ে বাহিরের লোকজনের সাহায্য চেয়ে ইশারা করতে থাকেন। এসময় কিছু লোক তার ইশারা বুঝতে পেরে গাড়িটি আটক করেন। সেখান থেকে অপহরণের শিকার ইতিকে উদ্ধার করেন। পরে অপহরণকারীদের গণপিটুনি দিয়ে গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় জনতা পুলিশকে খবর দিয়ে তিন অপহরণকারীকে সোপর্দ করে। আটককৃতরা হলেন রংপুর মহানগরীর রাধাবল্লভ এলাকার মৃত মোতাহার আলীর ছেলে মামুন মিয়া (৩০), মোবারক হোসেনের ছেলে আবু ইউসুফ ময়না (৪৫) ও চালক রাশেদুল ইসলাম (৪২)।
এব্যাপারে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ মান্নান জানান, ‘ছাত্রীকে একদল অপহরণকারী চক্র জোরপূর্বক অপহরণের চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে অপহরণ ও নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করা হয়েছে’।