প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তুহিন মোল্লার সঙ্গে তার চাচাতো বোনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা ঈদের দিন শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে ঘুরতে বের হন। খবর পেয়ে মেয়ের ভাইয়েরা তুহিন মোল্লাকে ধরে এনে বাড়ির পুকুর পাড়ে নিয়ে কুপিয়ে দুই হাত শরীর থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তার দুই চোখও উপড়ে ফেলা হয়। এ সময় তুহিনকে বাঁচাতে এলে তার বাবা শওকত আকবর মোল্লাকেও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়।
গুরুতর আহত বাবা-ছেলেকে প্রথমে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক অনুপ কুমার মজুমদার বলেন, তুহিন মোল্লার দুই হাত কেটে ফেলা হয়। তার চোখ দুটিও উপড়ে ফেলা হয়। এ অবস্থায় আজ রোববার সে মারা যায়। এ ছাড়া গুরুতর জখম বাবা শওকত আকবর মোল্লার দুই হাত ও দুই পা শরীর থেকে কেটে ফেলতে হবে। তারও অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন মোল্লা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আপন চাচাত ভাই-বোনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে এ ঘটনা। মেয়ের পক্ষ পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। নির্মম ওই ঘটনার পর মেয়েটির পরিবার এলাকা ছেড়ে পলিয়েছে। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।