সিসি নিউজ: নীলফামারীর সৈয়দপুরে একজন গৃহবধুর নগ্ন ভিডিও নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ওই ভিডিওটি এখন শহরের বিভিন্ন কম্পিউটার দোকান থেকে মোবাইল ব্যবহারকারীর মোবাইলে ছড়িয়ে পড়েছে। শহরের চামড়া গুদাম ক্যাম্পের একটি স্টুডিও দোকানে গোপন ক্যামেরায় গৃহবধুর ওই অশ্লীল দৃশ্য ধারন করা হয়েছে বলে মামলার সূত্র থেকে জানা গেছে ।
গৃহবধু কর্তৃক সোমবার নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে দায়ের করা মামলা মতে, ওই এলাকার কাদেরের পুত্র জিলানীর ভিডিও দোকানে টেলিভিশন মেরামতের জন্য যায় গৃহবধু সুমী (ছদ্মনাম)। জিলানী গোপন ক্যামেরা চালু করে টেলিভিশন মেরামতের কৌশলে সুমীকে দোকানের ভিতর নিয়ে শ্লীলতাহানী ঘটায়। মান ইজ্জতের ভয়ে ঘটনাটি গোপন রাখলেও গত সপ্তাহে জিলানীর ভাই মেহেদী হাসান ওই ভিডিও ফুটেজটি এলাকার বিভিন্ন জনের কাছে মোবাইল ফোনে শেয়ার করে। ভিডিও ফুটেজটি মুছে ফেলতে অভিযুক্তদের কাছে গেলে তারা এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। নিরুপায় হয়ে সুমী পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালত ওই মামলাটি নথিভুক্ত করতে সৈয়দপুর থানাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।
এদিকে থানায় অভিযোগের পর গা ঢাকা দিয়ে জিলানী ও তার ভাই। এমনকি তাদের দীর্ঘদিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইন বোর্ডটিও রাতারাতি সরানো হয়েছে। মামলার বাদীপক্ষ অভিযোগ করেন, মামলা তুলে নিতে জিলানীর লোকজন বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি ও হুমকি দিয়ে আসছে। এজন্য তারা প্রশাসন ও সকলের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন।
এ প্রসঙ্গে কথা হয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সৈয়দপুর থানার এসআই নজরুল ইসলামের সাথে। তিনি সিসি নিউজকে জানান, আসামীদের গ্রেফতারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে। আসামীরা আত্মগোপনে থাকলেও তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।