• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন |

মুমিনুলের ক্যারিয়ার সেরা ঝড়ো ১৫২

ঢাকা: ‘টেস্ট ব্যাটসম্যান’ খেতাব পেয়েছেন মুমিনুল হক। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাই নির্বাচকদের ভাবনাতেও নেই তিনি। জবাবটা দিলেন চলমান প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের হয়ে রঙিন পোশাকে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে ১১৯ বলে ১৫২ রানের ঝড় তোলা ইনিংস খেলেছেন জাতীয় দলের এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৮ ওভার ২ বলে অলআউট হওয়ার আগে ৩০৭ রান করে গাজী।
এনামুল হকের বিদায়ে দ্বিতীয় ওভারেই ক্রিজে আসতে হয় মুমিনুলকে। পঞ্চম ওভারে ফিরে যান আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জহুরুল ইসলাম। ৯ রানের মধ্যে নেই ২ উইকেট। ছন্দে থাকা নাসির হোসেনের সঙ্গে ১৫৩ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন মুমিনুল। ২৪.১ ওভার স্থায়ী জুটিতে নাসিরের অবদান ৭৬ বলে ৬৪ রান।
পাশের মাঠে খেলা ছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ও কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের। মাঠ ভেজা থাকায় তখনও তাদের খেলা শুরু হয়নি। মুশফিকুর রহিম, তুষার ইমরান, হ্যামিল্টন মাসাকাদজাররা বসে উপভোগ করছিলেন মুমিনুলের ব্যাটিং।
৫৪ বলে অর্ধশতক করা মুমিনুল লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের তৃতীয় শতকে পৌঁছান ৮৯ বলে। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তিন অঙ্কে যাওয়ায় তার দলের চেয়ে মুশফিক-তুষারদের আনন্দই যেন ছিল বেশি। তাদের দাবিটা ছিল আরও বড়, মুমিনুলের কাছ চাইছিলেন দুইশ রানের ইনিংস!
শতকের পর আরও চড়াও হন মুমিনুল। দ্রুত পৌঁছে যান দেড়শ রানে। তার তৃতীয় অর্ধশতক আসে মাত্র ২৮ বলে। চতুর্থ উইকেটে পারভেজ রসুলের সঙ্গে ১২.৪ ওভারে উপহার দেন ১০১ রানের বিধ্বংসী এক জুটি। গাজীর নজর তখন সাড়ে তিনশ’ রানে।
শেষের দিকে চারের চেয়ে ছক্কা হাঁকানোর দিকেই বেশি মনোযোগ ছিল মুমিনুলের। ফিরেন সেই ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টাতেই। ফরহাদ রেজাকে স্লগ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন ডিপ মিডউইকেটে। সব মিলিয়ে ১২০ বলের অসাধারণ ইনিংসটি গড়া ১৬টি চার ও ৬টি ছক্কায়।
দলকে তিনশ রানের কাছাকাছি নিয়ে ফিরেন ভারতীয় অলরাউন্ডার রসুল। ৫৪ বলে ৫৩ রান করতে হাঁকান তিনটি ছক্কা।
গাজীর প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যান ছাড়া আর কারোর এর আগে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ মেলেনি। এবার তাদের সামনে সুযোগ ছিল দলকে কিছু দেওয়ার। মেহেদী হাসান ছাড়া তাদের কেউ তা করতে পারেননি।
শেষ ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্যে দুই অঙ্কে যান কেবল মেহেদী (১৫ বলে ২২*)। শূন্য রানে ফিরেন সোহরাওয়ার্দী শুভ, আবু হায়দার। ১ রান করে ফিরেন নাদিফ চৌধুরী, আলাউদ্দিন বাবু ও শফিউল ইসলাম।
৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দোলেশ্বরের সেরা বোলার ফরহাদ। দেলোয়ার হোসেন ৩ উইকেট নেন ৩৯ রানে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ